ট্রেড ইন্সট্রাক্টর
২২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০৩:২৬ অপরাহ্ণ
ট্রেড ইন্সট্রাক্টর
ধরনঃ কারিগরি শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ জেলারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস-১ (প্রথম পত্র)
অধ্যায়ঃ প্রথম অধ্যায়
পাঠঃ অকুপেশনাল চার্টার ডিউটি, সেফটি ও সিকিউরিটি
ফায়ার এক্সটিংগুইশারগুলোকে সাধারণত তিনটি ক্লাসে ভাগ করা হয় যা নির্দেশ করে কোন ধরনের আগুনে আপনি এটিকে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি যন্ত্রের গায়েই এর উল্লেখ থাকে। বর্তমানে অনেক ফায়ার এক্সটিংগুইশারই রয়েছে যেগুলো এবিসি ক্লাস। অর্থাৎ তিনটি ক্লাসের আগুনেই এগুলোকে ব্যবহার করা যাবে। ক্লাসগুলো সম্পর্কে কিছু ধারণা নেয়া যাক।
এ ক্লাসঃ এ ক্লাসের ফায়ার এক্সটিংগুইশার গুলোকে আপনি কাঠ, কাগজ কিংবা কাপড়-চোপড় এ লাগা আগুন নেবানোর কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।
বি ক্লাসঃ বি ক্লাসের এক্সটিংগুইশারকে লিকুইডের আগুন যেমন গ্যাসোলিন কিংবা তেল থেকে সৃষ্ট হওয়া আগুনে ব্যবহার করা যাবে।
সি ক্লাসঃ সি ক্লাসের এক্সটিংগুইশারগুলো বিদ্যুৎ থেকে সৃষ্ট হওয়া আগুন নেবানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
ফায়ার এক্সটিংগুইশার কেনার ক্ষেত্রে এর সাইজ বিবেচনা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।বড় এক্সটিংগুইশারগুলো বেশি আগুন নেবানোর ক্ষমতা রাখে। কিন্তু বেশি ওজন হওয়ার কারনে সেগুলোকে মেইনটেইন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। কাজেই যতটুকু বড় সম্ভব যেটি আপনি নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন সেটি কেনার চেষ্টা করুন। বাংলাদেশে সাধারণত ১০, ৫ ও ২ পাউন্ড ওজনের ফায়ার এক্সটিংগুইশার পাওয়া যায়।
ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করার জন্য প্রথমেই আপনাকে এর সেফটি পিনটি খুলে ফেলতে হবে। এবার সরাসরি আগুনের দিকে তাক না করে আগুন থেকে একটু দূরে দাড়িয়ে আগুনের উৎসের দিকে এর মুখটি তাক করে ধরুন। এবার হ্যান্ডেলে চাপ দিলেই অগ্নি নির্বাপক পদার্থ বের হবে। আগুন সম্পূর্ণ না নেভা পর্যন্ত সেটি ধরে রাখুন।