Loading..

নেতৃত্বের গল্প

রিসেট

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০১:৪৯ অপরাহ্ণ

শিক্ষকের আন্তরিকতা শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতার বিকাশ

সকল শিশুর শিক্ষা গ্রহণের অধিকার রয়েছে। সে যে পরিবেশেই বেড়ে ুউঠুক না কেন। কেউ তাকে এ অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না।এটা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। 

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার দুই শিশু  মিল্লাম রংমা ও হাব্রি রংমা।

তাদের বাবা মা কাজের প্রয়োজনে নিজ আবাসস্থল ছেড়ে আমার জেলার আসেন। এখানে এসে বিপত্তি বাধে অপরিচিত এবং ক্ষুদ্র জাতিসত্তার বলে তাদের কেউ স্কুলে ভর্তি নিতে চাচ্ছে না।ইতিপূর্বে আমাদের উপজেলায় ক্ষুদ্র জাতিসত্তার কোন শিক্ষার্থী কোন স্কুলে ভর্তি হয় নি।এমতাবস্থায় স্থানীয় এক অভিভাবকের সহায়তায় উক্ত দুই শিক্ষার্থীকে নিয়ে তাদের অভিভাবক আমার বিদ্যালয়ে আসেন তাদের ভর্তি করানোর জন্য। তাদের আগ্রহ দেখে এবং সকল ডকুমেন্টস যাচাই বাছাই করে আমার বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেই।বাড়ি থেকে যথেষ্ট দূরত্ব হওয়ার পরও তারা আমার স্কুলে ভর্তি হয়। তাদের বাবা মায়ের আন্তরিকতা পূর্ণ ব্যবহার সত্যি আমাদের মুগ্ধ করে সেই সাথে শিক্ষার্থী দুইজনের অমায়িক ব্যবহার এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করে। পড়াশোনার পাশাপাশি তাদেরকে বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে আগ্রহী করে তুলি এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করি। এতে করে অল্পদিনের মধ্যেই তারা তাদের জড়তা ভেঙে সকল কাজে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসে।অসাধারণ পারফর্মেন্স করে।

নিজ বিদ্যালয়ের গন্ডি ছাড়িয়ে তারা জেলা পর্যায়ে ও তাদের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে।তারা হয়ে উঠে সকলের প্রিয় শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীর প্রতি শিক্ষকের আন্তরিকতা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী একজন শিক্ষার্থীর জীবনে অনেক বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

আমার এই শিক্ষার্থীদ্বয় তাদের নিজস্ব মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অনেকদূর এগিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। 

শুভ কামনা মিল্লাম রংমা এবং হাব্রি রংমা।


মন্তব্য করুন