সিনিয়র শিক্ষক
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০৬:১৩ পূর্বাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দশম
বিষয়ঃ ক্যারিয়ার এডুকেশন
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারে (ইএফটি) বেতন-ভাতা দিতে চতুর্থ ধাপের মেসেজ শিক্ষকদের কাছে আজ মঙ্গলবার পৌঁছাতে পারে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাউশির অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাকে এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে ইএফটিতে এই ধাপের এমপিওর টাকা শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ছাড় হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চতুর্থ ধাপের মোট ৮ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে স্কুলের ৬ হাজার ৩৮০ জন ও কলেজের ১ হাজার ৮৫৮ জন।
চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার এ বিভাজন অনুযায়ী বেতন-ভাতা ইএফটির মাধ্যমে দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন এবং তার কার্যালয় এই টাকা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার সরকারি অংশ বাবদ পরিশোধ করবেন।
এর আগে, সর্বশেষ তৃতীয় ধাপে স্কুল- কলেজের মোট ৮৪ হাজার ৭৭৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীর অ্যাকাউন্টে টাকা গেছে। তাদের মধ্যে স্কুলের ৬৫ হাজার ৬৮৩ জন ও কলেজের ১৯ হাজার ৯৩ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সরকারি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতা পান। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগার থেকে ছাড় হলেও তা রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে ছাড় হতো। এই অর্থ তুলতে শিক্ষকদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হতো। ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বেতন-ভাতা ছাড়ের জন্য কয়েক পর্যায়ে অনুমোদনসহ সংশ্লিষ্ট কাজে অনেক ক্ষেত্রেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পেতে দেরি হতো। অনেক সময় পরের মাসের ১০ তারিখের পরও আগের মাসের বেতন-ভাতা জুটতো।
এই পরিস্থিতির উত্তরণে গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইএফটিতে বেসরকারি শিক্ষকদের এমপিওর বেতন-ভাতা দেয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ২০৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর অক্টোবর মাসের এমপিও ইএফটিতে ছাড় হয়। পরে গত ১ জানুয়ারি ১ লাখ ৮৯ হাজার শিক্ষক ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা পেয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে আরও ৬৭ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে বেতন ছাড় হয়।
বেসরকারি স্কুল-কলেজের ৩ লাখ ৮০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে ২ লাখ ৮৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য যাচাই করে মাউশি অধিদপ্তর। ২৭ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য পায়নি সংস্থাটি। অবশিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য পেলেও তাতে ত্রুটি থাকায় সেগুলো সংশোধন করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।