Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৩:৩৯ অপরাহ্ণ

মাইটোকন্ড্রিয়া

মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন ও কাজ

🔹 গঠন (Structure):
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের বিদ্যুৎকেন্দ্র (Powerhouse of the cell) বলা হয়। এটি দ্বি-ঝিল্লিযুক্ত (double membrane) অঙ্গাণু।

  1. বহিঃঝিল্লি (Outer membrane): মসৃণ ও আধা-ভেদ্য। এতে প্রোটিন চ্যানেল থাকে, যা ছোট আকারের অণু প্রবেশে সাহায্য করে।

  2. অভ্যন্তরীণ ঝিল্লি (Inner membrane): ভাঁজ হয়ে ক্রিস্টি (Cristae) তৈরি করে। এখানে শ্বাস-শৃঙ্খল (Electron Transport Chain) এবং ATP তৈরির প্রক্রিয়া চলে।

  3. অন্তঃস্থল বা ম্যাট্রিক্স (Matrix): অভ্যন্তরীণ ঝিল্লির ভেতরের তরলপূর্ণ অঞ্চল। এতে DNA, RNA, রাইবোজোম ও নানা এনজাইম থাকে।

  4. ইন্টারমেমব্রেন স্পেস (Intermembrane space): বহিঃঝিল্লি ও অভ্যন্তরীণ ঝিল্লির মাঝের স্থান। এখানে হাইড্রোজেন আয়ন জমা হয়।


🔹 কাজ (Functions):

  1. শক্তি উৎপাদন: খাদ্যের গ্লুকোজ, ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি ভেঙে ATP (Adenosine Triphosphate) উৎপাদন করে।

  2. সেলুলার রেস্পিরেশন: গ্লুকোজের চূড়ান্ত জারণ ঘটে, কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়।

  3. নিজস্ব DNA ও রাইবোজোম থাকার কারণে কিছু প্রোটিন ও এনজাইম নিজেই তৈরি করতে পারে।

  4. তাপ উৎপাদন: কিছু ক্ষেত্রে শরীরের উষ্ণতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

  5. কোষমৃত্যু (Apoptosis) নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

👉 সংক্ষেপে বলা যায়, মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের শক্তি ঘর, যেখানে খাদ্য অণু থেকে শক্তি বের করে ATP আকারে সঞ্চয় করা হয়।



মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট