সিনিয়র শিক্ষক
০১ অক্টোবর, ২০২৫ ০৮:১৭ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ গার্হস্হ্য বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায় একাদশ
অ্যাপেন্ডিক্স হলো সিকামের (Caecum) নিচে যুক্ত একটি সরু, আঙুলের মতো লম্বা থলির মতো গঠন, যাকে "Vermiform Appendix" বলা হয়। এটি পাচনতন্ত্রের একটি অঙ্গ হলেও এর কাজ তুলনামূলকভাবে সীমিত।
· ডান পাশের নিম্ন উদরে।
· সিকামের (বৃহদান্ত্রের প্রথম অংশ) সঙ্গে যুক্ত।
· সাধারণত আইলিওসিকাল ভালভ এর নিচে।
· সরু ও নলাকার।
· দৈর্ঘ্য সাধারণত ৬–৯ সেমি।
· ভেতরে লসিকাগ্রন্থি (Lymphoid tissue) থাকে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় ভূমিকা (ইমিউন সিস্টেমে সহায়ক লসিকাতন্তু থাকে)।
২। উপকারী ব্যাকটেরিয়া সংরক্ষণ।
৩। অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম রক্ষায় সহায়তা।
(মানুষের দেহে এটি জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য নয়।)
· অ্যাপেন্ডিসাইটিস (Appendicitis): অ্যাপেন্ডিক্সে প্রদাহ বা সংক্রমণ → তীব্র পেট ব্যথা, জ্বর, বমি হতে পারে।
· ফেটে গেলে পেরিটোনাইটিস হয়ে জীবনহানির ঝুঁকি থাকে।
১। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের প্রাথমিক অবস্থায় → অ্যান্টিবায়োটিক ও চিকিৎসা।
২। গুরুতর অবস্থায় → অস্ত্রোপচার (Appendectomy) করে অ্যাপেন্ডিক্স কেটে ফেলা।
৩। প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণ।
৪। ব্যথা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে ওষুধ।
১। আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া (ফল, শাকসবজি)।
২। নিয়মিত পানি পান।
৩। তৈলাক্ত, অতিরিক্ত ঝাল-চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়া।
৪। সংক্রমণ এড়াতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।
অ্যাপেন্ডিক্স ছোট হলেও এর সমস্যা মারাত্মক হতে পারে। বিশেষ করে অ্যাপেন্ডিসাইটিস হলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ জরুরি। আধুনিক চিকিৎসায় এটি কেটে ফেলে দেওয়া হলেও মানুষের স্বাভাবিক জীবনে এর অভাব কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না।