সিনিয়র শিক্ষক
০৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ গার্হস্হ্য বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায় দশম
ভিটামিন-ই-এর অভাবে অকাল বার্ধক্য
ভিটামিন-ই (Vitamin E) একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা দেহের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটি কোষের ঝিল্লি, ত্বক, চুল, স্নায়ুতন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখে। এর অভাব হলে কোষ দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অকাল বার্ধক্যের (Premature Ageing) লক্ষণ দেখা দেয়।
ভিটামিন-ই-এর অভাবে অকাল বার্ধক্যের কারণ:
অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বৃদ্ধি: ফ্রি র্যাডিক্যাল কোষ আক্রমণ করে, ফলে ত্বক ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দ্রুত নষ্ট হয়।
কোলাজেন ভাঙন: ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা কমে গিয়ে বলিরেখা ও ঢিলে ভাব দেখা দেয়।
ত্বকের কোষ ক্ষয়: ত্বক রুক্ষ, শুষ্ক ও দাগযুক্ত হয়ে যায়।
চুল ও নখ দুর্বল হওয়া: চুল অকালে পাকা, পড়া এবং নখ ভঙ্গুর হয়ে ওঠে।
স্নায়ুতন্ত্র দুর্বলতা: স্মৃতিশক্তি হ্রাস ও মস্তিষ্ক দ্রুত বয়সী হওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।
লক্ষণ:
প্রতিকার:
প্রতিরোধ:
ভিটামিন-ই দেহের কোষকে তরুণ ও সক্রিয় রাখে। এর অভাব হলে ত্বক, চুল ও শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দ্রুত বয়সী হয়ে পড়ে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাবার রাখা অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত জরুরি।