Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৩:৩৯ অপরাহ্ণ

নন-এন্ডেমিক গলগণ্ড (Non-Endemic Goiter)

নন-এন্ডেমিক গলগণ্ড (Non-Endemic Goiter)

নন-এন্ডেমিক গলগণ্ড হলো এমন একটি গলগণ্ড, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের পুষ্টি অভাবের কারণে নয় বরং অন্যান্য কারণে হয়ে থাকে। এটি সাধারণত আয়োডিনের অভাব নয়, বরং থাইরয়েড গ্রন্থির অভ্যন্তরীণ বা বাইরের কারণের কারণে ঘটে।

নন-এন্ডেমিক গলগণ্ডের কারণ:

  • ১। থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ (যেমন হাইপোথাইরয়ডিজম বা হাইপারথাইরয়ডিজম)

  • ২। অটোইমিউন ডিজিজ (যেমন হাশিমোটো থাইরয়ডাইটিস)

  • ৩। থাইরয়েডে সিস্ট বা গাঁট

  • ৪। কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • ৫। থাইরয়েড গ্রন্থিতে প্রদাহ বা সংক্রমণ

  • ৬। আঘাত বা অস্ত্রোপচার পরবর্তী পরিবর্তন

  • ৭। জিনগত বা হরমোনজনিত সমস্যা

লক্ষণ:

  • ১। গলার সামনের অংশে ফোলা বা গাঁট দেখা।

  • ২। গলা বা ঘাড়ে চাপ বা ব্যথা।

  • ৩। গলায় অস্বস্তি, খাবার গিলে নিতে কষ্ট।

  • ৪। কাশির সমস্যা।

  • ৫। শ্বাস নিতে অসুবিধা (গুরুতর ক্ষেত্রে)।

  • ৬। হরমোনের ঘাটতি বা অতিরিক্ত হওয়ার লক্ষণ-যেমন ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস, ক্লান্তি, হৃদস্পন্দন পরিবর্তন ইত্যাদি।

প্রতিকার:

  • ১। থাইরয়েডের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে চিকিৎসা নির্ধারণ।

  • ২। প্রয়োজন হলে থাইরয়েড হরমোন চিকিৎসা।

  • ৩। গলগণ্ড বড় হলে অস্ত্রোপচার বা থাইরয়েড থেরাপি।

  • ৪। সুষম খাদ্য, যেখানে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও মিনারেল থাকে।

  • ৫। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

প্রতিরোধ:

  • ১। থাইরয়েড স্বাস্থ্য রক্ষা করা।

  • ২। নিয়মিত ডাক্তারি পরীক্ষা।

  • ৩। প্রয়োজন হলে থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা।

  • ৪। সুষম খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা বজায় রাখা।

নন-এন্ডেমিক গলগণ্ড সাধারণত পুষ্টির অভাব নয়, বরং থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক ক্রিয়া বা অন্যান্য রোগজনিত কারণে হয়। তাই গলগণ্ডের ক্ষেত্রে মূল কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট