Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০৬ অপরাহ্ণ

হাইপোথাইরয়ডিজম (Hypothyroidism)

হাইপোথাইরয়ডিজম (Hypothyroidism)

হাইপোথাইরয়ডিজম হলো একটি থাইরয়েড রোগ, যেখানে থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণ থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। এর ফলে দেহের বিপাকের গতি (Metabolism) কমে যায় এবং শরীরে বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয়।

হাইপোথাইরয়ডিজমের কারণ:

  • ১। অটোইমিউন রোগ 

  • ২। থাইরয়েড গ্রন্থির অস্ত্রোপচার বা ধ্বংস।

  • ৩। আয়োডিনের অভাব।

  • ৪। রেডিয়েশন বা রেডিওথেরাপি।

  • ৫। কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেমন লিথিয়াম)।

  • ৬। জন্মগত সমস্যা (Congenital Hypothyroidism)।

লক্ষণ:

  • ১। ক্লান্তি ও দুর্বলতা

  • ২। ওজন বৃদ্ধি (খাবারের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকা সত্ত্বেও)

  • ৩। ঠান্ডা সহনশীলতা কমে যাওয়া

  • ৪। শুষ্ক ত্বক ও চুল পড়া

  • ৫। চুল পাতলা হয়ে যাওয়া

  • ৬। স্বর পরিবর্তন বা গলায় অসুবিধা

  • ৭। মুখ, চোখ বা হাতের ফোলা

  • ৮। মনোযোগহীনতা ও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া

  • ৯। হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া

  • ১০। কোষ্ঠকাঠিন্য

  • ১১। Depressed অনুভূতি বা মনোবৈকল্য

হাইপোথাইরয়ডিজমের ধরন:

প্রাথমিক হাইপোথাইরয়ডিজম: থাইরয়েড গ্রন্থিতে সমস্যা।

দ্বিতীয় হাইপোথাইরয়ডিজম: পিটুইটারি গ্রন্থির সমস্যা।

তৃতীয় হাইপোথাইরয়ডিজম: হাইপোথ্যালামাসের সমস্যা।

জন্মগত হাইপোথাইরয়ডিজম: শিশু জন্মের সময় থেকে।

প্রতিকার:

  • ১। থাইরয়েড হরমোন প্রতিস্থাপন থেরাপি (যেমন লেভোথাইরক্সিন)।

  • ২। নিয়মিত থাইরয়েড ফাংশন পরীক্ষা।

  • ৩। সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য।

  • ৪। আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ।

প্রতিরোধ:

  • ১। পর্যাপ্ত আয়োডিন গ্রহণ নিশ্চিত করা।

  • ২। থাইরয়েডের রোগ ইতিহাস থাকলে নিয়মিত ডাক্তারি পরীক্ষা।

  • ৩। সুষম খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখা।

হাইপোথাইরয়ডিজম দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে যদি তা চিকিৎসা না করা হয়। তাই উপসর্গ দেখা দিলে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট