সিনিয়র শিক্ষক
০৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৫:৫৬ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ গার্হস্হ্য বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায় দশম
ক্রেটিনিজম হলো জন্মকালীন থাইরয়েড হরমোনের দীর্ঘস্থায়ী অভাবজনিত রোগ, যা সাধারণত আয়োডিনের ঘাটতি অথবা জন্মের আগে মাতৃ থাইরয়েড হরমোনের অভাবে ঘটে। এর ফলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গম্ভীর ক্ষতি হয়।
· গর্ভাবস্থায় মাতৃ থাইরয়েড হরমোনের অভাব।
· জন্মের আগে বা পরে আয়োডিনের ঘাটতি।
· জন্মগত থাইরয়েডের অকার্যকারিতা বা অনুপস্থিতি।
· বৃদ্ধি হ্রাস (বয়স অনুযায়ী ছোট আকৃতি ও ওজন)
· মাথা বড় ও ভুঁড়ি ছোট
· চামড়া শুষ্ক ও জ্যাড়া
· পেশি দুর্বলতা
· কণ্ঠনালীর সমস্যা (দম বন্ধ বা ঢিলে কণ্ঠ)
· বুদ্ধিমত্তার ঘাটতি বা মানসিক বিকাশে সমস্যা
· ভাষা ও চলাফেরায় বিলম্ব
· ঠান্ডা সহ্য করতে সমস্যা
· গলার ফোলাভাব (গলগণ্ড)
· জন্মের পর থাইরয়েড হরমোন (T3, T4) ও TSH স্তর পরীক্ষা।
· আয়োডিনের মাত্রা নির্ণয়।
· আলট্রাসাউন্ড বা থাইরয়েড স্ক্যান।
· দ্রুত থাইরয়েড হরমোন প্রতিস্থাপন (Levothyroxine)।
· গর্ভবতী মায়েদের পর্যাপ্ত আয়োডিন গ্রহণ নিশ্চিত করা।
· নিয়মিত মেডিকেল ফলো-আপ ও শিশুর বিকাশ পর্যবেক্ষণ।
· গর্ভবতী মহিলাদের পর্যাপ্ত আয়োডিনযুক্ত খাবার ও সাপ্লিমেন্ট দেওয়া।
· নবজাতকের জন্মপরবর্তী প্রথম সপ্তাহে থাইরয়েড হরমোন পরীক্ষা।
· আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা।
ক্রেটিনিজম হলো জন্মকালীন থাইরয়েড হরমোনের দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতির রোগ, যা প্রধানত আয়োডিনের অভাবে ঘটে। এটি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে স্থায়ী ক্ষতি ঘটাতে পারে। তাই গর্ভবতী মায়ের আয়োডিন গ্রহণ নিশ্চিত করা, শিশুদের জন্মের প্রথম সপ্তাহে থাইরয়েড পরীক্ষা করা এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “ক্রেটিনিজম হলো শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে আয়োডিন অভাবজনিত থাইরয়েড হরমোনের দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতির ফল।”