Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৩:৩৩ অপরাহ্ণ

কনজাংটিভাইটিস (Conjunctivitis)

কনজাংটিভাইটিস (Conjunctivitis)

কনজাংটিভাইটিস (Conjunctivitis) হলো চোখের সাদা অংশ এবং পাতার ভিতরের পাতলা ঝিল্লি (Conjunctiva) প্রদাহিত হওয়া। সাধারণভাবে এটিকে Pink Eye” বলা হয় কারণ চোখ লালচে হয়ে যায়। এটি একটি সাধারণ চোখের সমস্যা যা সংক্রমণ, অ্যালার্জি বা অন্যান্য কারণের জন্য হতে পারে।

কারণসমূহ:

১। সংক্রমণজনিত (Infectious Conjunctivitis)

o   ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস দ্বারা হয়।

o   সাধারণত এক চোখে শুরু হয়ে দ্রুত অন্য চোখেও ছড়াতে পারে।

২। অ্যালার্জি (Allergic Conjunctivitis)

o   ধুলো, ফুলের গুঁড়া, পশুর লোম বা কেমিক্যাল দ্বারা উদ্দীপ্ত।

o   সাধারণত দুই চোখে একসাথে হয় এবং মরসুমের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।

৩। রাসায়নিক বা শারীরিক আঘাত

o   চোখে ধুলো, ধোঁয়া, কেমিক্যাল বা অন্যান্য বস্তুর আঘাতের ফলে হতে পারে।

লক্ষণসমূহ:

১। চোখ লালচে ও ফোলা

২। চোখে জ্বালা, চুলকানি ও অস্বস্তি

৩। চোখ থেকে জল বা স্রাব (Discharge) ঘন বা পাতলা

৪। চোখে স্ফটিক ঝাপসা বা অস্বচ্ছ ভাব

৫। দৃষ্টিশক্তি কিছুটা ঝাপসা বা অস্পষ্ট হওয়া

প্রতিকার:

সংক্রমণজনিত কনজেক্টিভাইটিস:

  • ১। ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক চোখের ড্রপ বা মলম

  • ২। ভাইরাসজনিত ক্ষেত্রে সাধারণত নিজে নিরাময় ঘটে, তবে উপসর্গ লাঘবে ঠান্ডা সেঁক ও ওষুধ প্রয়োগ করা যেতে পারে

অ্যালার্জি সম্পর্কিত কনজেক্টিভাইটিস:

  • ১। অ্যালার্জেন থেকে দূরে থাকা

  • ২। অ্যান্টিহিস্টামিন ড্রপ বা ওষুধ

  • ৩। ঠান্ডা সেঁক

রাসায়নিক বা আঘাতজনিত কনজাংটিভাইটিস:

  • ১। চোখ ধুয়ে ফেলা (sterile saline বা পানি দিয়ে)

  • ২। চিকিৎসকের পরামর্শে বিশেষ ওষুধ ব্যবহার

প্রতিরোধ:

১। চোখ স্পর্শ ও ঘষা এড়িয়ে চলা

২। হাত ধোয়া ও পরিচ্ছন্ন রাখা

৩। চোখে ধুলো বা দূষণ এড়িয়ে চলা

৪। অ্যালার্জি বা সংক্রমণের ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া

কনজাংটিভাইটিস (Conjunctivitis) সাধারণত ভয়ঙ্কর নয়, তবে সময়মতো চিকিৎসা না নিলে চোখের ক্ষতি হতে পারে এবং সংক্রমণ ছড়াতে পারে। সচেতনতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক চিকিৎসা চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট