Loading..

ভিডিও ক্লাস

রিসেট

১০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:২৪ অপরাহ্ণ

SSC বিজ্ঞান, টেস্ট পরীক্ষা ও SSC পরীক্ষা প্রস্তুতি 2026 .ঢাকা বোর্ড 2025.

M — ঘি, পনির N — আমলকী, লেবু P — গম, খেজুর ক. সুষম খাদ্য পিরামিড কাকে বলে? খ. বাসি খাবার খাওয়া অনুচিত- ব্যাখ্যা করো। গ. ‘P’ জাতীয় খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা লেখো। ঘ. রোগ প্রতিরোধে উদ্দীপকের M ও N এর মধ্যে কোনটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে? উত্তরের সপক্ষে মতামত দাও। ক. সুষম খাদ্য পিরামিড কাকে বলে? শর্করাজাতীয় খাদ্যকে নিম্ন স্তরে রেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণ দিক বিবেচনা করে শাকসবজি, ফলমূল, আমিষ, স্নেহ ও চর্বিজাতীয় খাদ্যকে সাজালে যে কাল্পনিক পিরামিড তৈরি হয় তাকে আদর্শ বা সুষম খাদ্য পিরামিড বলে। খ. বাসি খাবার খাওয়া অনুচিত- ব্যাখ্যা করো। বাসি খাবারে জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া এক ধরনের বিষাক্ত উপাদান তৈরি করে। এই বিষাক্ত উপাদানগুলোকে টক্সিন বলে। এই টক্সিনগুলো নানা ধরনের হয় এবং কোনো কোনো টক্সিনে আক্রান্ত হওয়াকে আমরা ফুড পয়জনিং বলে থাকি। টক্সিন স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে। তাই বাসি খাবার খাওয়া অনুচিত। গ. ‘P’ জাতীয় খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা লেখো। উদ্দীপকে P চিহ্নিত খাদ্য উপাদানগুলো হলো শর্করাজাতীয় খাদ্য। শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। শর্করা দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি ও তাপ শক্তি উৎপাদন করে। কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা গঠিত। প্রকৃতিতে শর্করা দুই রূপে থাকে। গ্লুকোজের বিভিন্ন ধরনের অণু ভেঙে যে শক্তি লাগে তা শসনের সময় ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে উৎপন্ন হয়। সাধারণত প্রতি গ্রাম শর্করা থেকে প্রায় ৪.১ কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়। সেলুলোজ একটি জটিল শর্করা। এটি আঁচযুক্ত খাদ্য (আঁশ বা ফাইবার) যা কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। এই শর্করাকে প্রোটিন ও ফ্যাট সংরক্ষক বলা হয়। খাদ্যে শর্করা অভাব ঘটলে দেহের গঠন ও দৈনিক কার্য সম্পাদনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। শর্করা অভাব হলে শরীরে এক ধরনের ক্যাক্সিং নামক অনীহার সৃষ্টি হয়, প্রোটিন ক্ষয় হয়। আবার শর্করা অভাবে দেহের ওজন কমে যায়, ক্ষুধা বাড়ে, শরীর দুর্বল হয় পড়ে এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, P চিহ্নিত খাদ্য উপাদানগুলো অর্থাৎ শর্করা শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘ. রোগ প্রতিরোধে উদ্দীপকের M ও N এর মধ্যে কোনটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে? উত্তরের সপক্ষে মতামত দাও। উদ্দীপকের ‘M’ ও ‘N’ হলো যথাক্রমে স্নেহ পদার্থ ও ভিটামিন C খাদ্য উপাদান। রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন C অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। নিচে উত্তরের সপক্ষে মতামত তুলে ধরা হলো- খাদ্যবস্তুর মধ্যে স্নেহ পদার্থ সবচেয়ে বেশি তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে। দেহের পুষ্টি এবং বৃদ্ধির জন্য এটি অত্যাবশ্যক। স্নেহ পদার্থ দেহ থেকে তাপের অপচয় রোধ করে এবং ভবিষ্যতের জন্য খাদ্যভান্ডার হিসেবে কাজ করে। ত্বকের মসৃণতা এবং সজীবতা বজায় রাখতে এবং চর্মরোগ প্রতিরোধে খাদ্যের এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া স্নেহজাতীয় পদার্থে দ্রবণীয় ভিটামিন যেমন- ভিটামিন ‘A’, ‘D’, ‘E’ এবং ‘K’ ইত্যাদি উপাদানগুলো শোষণে সাহায্য করে। অন্যদিকে ভিটামিন ‘C’ ত্বক, হাঁড়, দাঁত ইত্যাদি কোষসমূহকে পরস্পরের সাথে জোড়া লাগিয়ে মজবুত গাঁথুনি তৈরিতে এবং শরীরের ক্ষত পুনর্গঠনের কাজে সাহায্য করে। দাঁত ও মাড়ি শক্ত রাখতে এবং শরীরের বাইরের অংশ ত্বকের মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে এ জাতীয় ভিটামিন সহায়তা করে। ভিটামিন ‘C’ রোগ প্রতিরোধে দেহের প্রহরী হিসেবে কাজ করে। এছাড়া স্নেহ, আমিষ ও অ্যামাইনো অ্যাসিডের বিপাকীয় কাজে ভিটামিন ‘C’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুতরাং উপরের আলোচনার সাপেক্ষে আমি মনে করি রোগ প্রতিরোধে স্নেহ পদার্থ ও ভিটামিন C-এর মধ্যে ভিটামিন C খাদ্য উপাদানটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। #sscscience #সৃজনশীল_প্রশ্ন #বোর্ডপ্রশ্ন #boardquestions #DhakaBoard2025 #ssc2026 #ssc2027

মন্তব্য করুন