পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৭.০৪ ।।
তরঙ্গকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: যান্ত্রিক তরঙ্গ (যা সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়) এবং তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (যা মাধ্যমহীন শূন্যস্থানেও সঞ্চালিত হতে পারে)। যান্ত্রিক তরঙ্গ আবার দুই প্রকার: অনুপ্রস্থ (কণার কম্পন মাধ্যমের বিস্তারের দিকের সাথে সমকোণে হয়) এবং অনুদৈর্ঘ্য (কণার কম্পন মাধ্যমের বিস্তারের দিকের সাথে সমান্তরাল হয়)।
১. যান্ত্রিক তরঙ্গ
এ ধরনের তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য একটি মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- অনুপ্রস্থ তরঙ্গ: কণাগুলো মাধ্যমের বিস্তারের দিকের সাথে সমকোণে কম্পন করে।
- উদাহরণ: জলের তরঙ্গ, আলো, বেতার তরঙ্গ।
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: কণাগুলো মাধ্যমের বিস্তারের দিকের সাথে সমান্তরালভাবে কম্পন করে।
- উদাহরণ: স্প্রিং-এর কম্পন, শব্দ তরঙ্গ।
২. তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ
এ ধরনের তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না, এরা শূন্যস্থানেও চলতে পারে।
- উদাহরণ: আলো, বেতার তরঙ্গ, এক্স-রে, গামা-রে।
৩. অন্যান্য প্রকারভেদ
- পৃষ্ঠ তরঙ্গ: যান্ত্রিক তরঙ্গের একটি প্রকারভেদ, যেমন ভূমিকম্পের সময় সৃষ্ট তরঙ্গ।