Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:৩৮ অপরাহ্ণ

তরঙ্গের প্রকারভেদ
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৭.০৪ ।। 

তরঙ্গকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: যান্ত্রিক তরঙ্গ (যা সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়) এবং তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (যা মাধ্যমহীন শূন্যস্থানেও সঞ্চালিত হতে পারে)। যান্ত্রিক তরঙ্গ আবার দুই প্রকার: অনুপ্রস্থ (কণার কম্পন মাধ্যমের বিস্তারের দিকের সাথে সমকোণে হয়) এবং অনুদৈর্ঘ্য (কণার কম্পন মাধ্যমের বিস্তারের দিকের সাথে সমান্তরাল হয়)। 
১. যান্ত্রিক তরঙ্গ
এ ধরনের তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য একটি মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
  • অনুপ্রস্থ তরঙ্গ: কণাগুলো মাধ্যমের বিস্তারের দিকের সাথে সমকোণে কম্পন করে।
    • উদাহরণ: জলের তরঙ্গ, আলো, বেতার তরঙ্গ।
  • অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: কণাগুলো মাধ্যমের বিস্তারের দিকের সাথে সমান্তরালভাবে কম্পন করে।
    • উদাহরণ: স্প্রিং-এর কম্পন, শব্দ তরঙ্গ। 
২. তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ
এ ধরনের তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না, এরা শূন্যস্থানেও চলতে পারে। 
  • উদাহরণ: আলো, বেতার তরঙ্গ, এক্স-রে, গামা-রে। 
৩. অন্যান্য প্রকারভেদ

  • পৃষ্ঠ তরঙ্গ: যান্ত্রিক তরঙ্গের একটি প্রকারভেদ, যেমন ভূমিকম্পের সময় সৃষ্ট তরঙ্গ। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট