পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৯.০১ ।। আলোর প্রতিসরণ হলো এমন একটি ঘটনা যেখানে আলোকরশ্মি যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তীর্যকভাবে প্রবেশ করে তখন তার গতিপথের দিক পরিবর্তন করে বা বেঁকে যায়
। এটি ঘটে কারণ ভিন্ন মাধ্যমে আলোর গতি ভিন্ন হয়।
প্রতিসরণের প্রধান বৈশিষ্ট্য
হালকা মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে: আলো যখন হালকা মাধ্যম (যেমন: বায়ু) থেকে ঘন মাধ্যমে (যেমন: পানি) প্রবেশ করে, তখন প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্বের দিকে বেঁকে যায়।
ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে: আলো যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।
প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিসৃত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব—এই তিনটি একই সমতলে থাকে।
দ্বিতীয় সূত্র: নির্দিষ্ট দুটি মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট রঙের আলোর জন্য, আপতন কোণের সাইন (
sin(i)s i n open paren i close paren
𝑠𝑖𝑛(𝑖)
) ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের (
sin(r)s i n open paren r close paren
𝑠𝑖𝑛(𝑟)
) অনুপাত সর্বদা একটি ধ্রুবক সংখ্যা হয়। এই ধ্রুব সংখ্যাটিকে প্রথম মাধ্যমের সাপেক্ষে দ্বিতীয় মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক বলা হয়।
সূত্রটি হলো:
sin(i)sin(r)=μthe fraction with numerator s i n open paren i close paren and denominator s i n open paren r close paren end-fraction equals mu
𝑠𝑖𝑛(𝑖)𝑠𝑖𝑛(𝑟)=𝜇
(ধ্রুবক)।
প্রতিসরণের উদাহরণ
লেন্স ও প্রিজম: মানুষের চোখে লেন্স এবং অন্যান্য অপটিক্যাল যন্ত্রাংশ যেমন লেন্স ও প্রিজম প্রতিসরণের নীতি ব্যবহার করে কাজ করে।
জলের নিচে বস্তুর অবস্থান: জলের নিচে কোনো বস্তু থাকলে, আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রতিসরণের কারণে বস্তুর প্রতিবিম্ব ভিন্ন অবস্থানে দেখা যায়।