Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৮:২৭ পূর্বাহ্ণ

মরুভূমিতে বাতাসের ঘনত্ব
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৯.০৯ ।।

মরুভূমিতে বাতাসের ঘনত্ব সাধারণত কম ও পরিবর্তনশীল থাকে, কারণ দিনের বেলায় তীব্র তাপে বাতাস হালকা ও উপরের দিকে উঠে যায় এবং জলীয় বাষ্প কম থাকায় ঘনত্ব কমে যায়, যা নিম্নচাপ সৃষ্টি করে এবং < মরীচিকা ও তীব্র বায়ুপ্রবাহের কারণ হয়। শুষ্ক, গরম বাতাসের ঘনত্ব স্বাভাবিকের চেয়ে কম হওয়ায় এটি বিভিন্ন ঘনত্বের স্তরের সৃষ্টি করে, যার মধ্য দিয়ে আলো প্রতিসরণের ফলে মরীচিকা দেখা যায়। 
মূল কারণসমূহ:
  • উচ্চ তাপমাত্রা: মরুভূমির বালি अत्यधिक উত্তপ্ত হয়, ফলে সংলগ্ন বাতাসও গরম হয়ে হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়, ঘনত্ব কমে যায়।
  • জলীয় বাষ্পের অভাব: মরুভূমিতে জলীয় বাষ্প কম থাকে, যা বাতাসের ঘনত্বকে প্রভাবিত করে।
  • ঘনত্বের পার্থক্য: গরম, হালকা বাতাস এবং তুলনামূলক ঠান্ডা, ঘন বাতাসের স্তরগুলির মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয়। 
প্রভাব:
  • মরীচিকা (Mirage): বিভিন্ন ঘনত্বের স্তর দিয়ে আলো প্রতিসরণের ফলে দূরের বস্তু উল্টো বা জলের মতো দেখায়, যা মরীচিকা নামে পরিচিত।
  • বাতাসের প্রবাহ: উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে বাতাসের চলাচল বাড়ে, যা মরুভূমিতে শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহের কারণ হয়।
  • ক্ষয় প্রক্রিয়া: বাতাসের ঘনত্ব কম থাকায় এবং বালির কণা ও শিলাখণ্ডের মধ্যে ঘর্ষণের কারণে ক্ষয় প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। 
সংক্ষেপে, মরুভূমির উচ্চ তাপমাত্রা ও শুষ্কতার কারণে সেখানকার বাতাসের ঘনত্ব কম থাকে এবং ঘনত্বের এই তারতম্যই মরীচিকা ও বায়ুপ্রবাহের জন্য দায়ী। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট