পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ১১.০৩ ।।
পজিটিভ ও নেগেটিভ ভোল্টেজ তৈরি করতে রেফারেন্স পয়েন্ট (গ্রাউন্ড) ব্যবহার করা হয়, যেখানে পজিটিভ ভোল্টেজ গ্রাউন্ডের তুলনায় বেশি পটেনশিয়াল এবং নেগেটিভ ভোল্টেজ গ্রাউন্ডের তুলনায় কম পটেনশিয়াল বোঝায়; এটি পাওয়ার সাপ্লাই থেকে রেগুলেটর বা ক্যাপাসিটর ও ডায়োডের সার্কিট ব্যবহার করে বানানো যায়, যেমন ক্যাপাসিটর ব্যবহার করে নেগেটিভ ভোল্টেজ জেনারেটর তৈরি করা সম্ভব।
- ব্যাটারি: একটি ব্যাটারি নিজেই একটি পজিটিভ ভোল্টেজ উৎস (যেমন +1.5V, +9V) তৈরি করে, যেখানে একটি টার্মিনাল গ্রাউন্ডের তুলনায় বেশি পটেনশিয়াল থাকে।
- পাওয়ার সাপ্লাই: একটি DC পাওয়ার সাপ্লাই একটি নির্দিষ্ট ভোল্টেজ (যেমন +5V) তৈরি করে যা গ্রাউন্ডের চেয়ে বেশি পজিটিভ।
- রেফারেন্স পয়েন্ট: নেগেটিভ ভোল্টেজ মানে গ্রাউন্ডের তুলনায় কম পটেনশিয়াল। যেমন, একটি সার্কিটে -5V মানে সেই বিন্দুটি গ্রাউন্ডের চেয়ে ৫ ভোল্ট কম।
- পাওয়ার সাপ্লাই থেকে: একটি সাধারণ পাওয়ার সাপ্লাই থেকে নেগেটিভ ভোল্টেজ পেতে, আপনি গ্রাউন্ডকে রেফারেন্স ধরে তার বিপরীত দিকে সংযোগ দিতে পারেন বা রেগুলেটর ব্যবহার করতে পারেন।
- ক্যাপাসিটর ও ডায়োড: একটি সহজ নেগেটিভ ভোল্টেজ জেনারেটরের জন্য, ক্যাপাসিটর এবং দুটি ডায়োডের একটি সার্কিট ব্যবহার করা যায়। এটি ইনপুট ভোল্টেজকে ক্যাপাসিটরের মাধ্যমে নেগেটিভ পোলারাইজ করতে সাহায্য করে।
মূল ধারণা
- পোলারিটি: ভোল্টেজ পজিটিভ বা নেগেটিভ হওয়া নির্ভর করে কোন দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য মাপা হচ্ছে তার উপর। একটি বিন্দু অন্যটির তুলনায় কতটুকু বেশি বা কম পটেনশিয়াল, তাই ভোল্টেজ (যেমন, +10V বা -10V)।
- রেফারেন্স: নেগেটিভ ভোল্টেজ তৈরির মূল চাবিকাঠি হলো গ্রাউন্ড বা শূন্য ভোল্টেজকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা।
উদাহরণ
- একটি ব্যাটারির পজিটিভ প্রান্তকে +V (পজিটিভ ভোল্টেজ) এবং নেগেটিভ প্রান্তকে 0V (গ্রাউন্ড) ধরা হয়।
- একটি নির্দিষ্ট সার্কিটে যদি একটি বিন্দু গ্রাউন্ডের তুলনায় 5V কম হয়, তবে তার ভোল্টেজ -5V।