পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ১১.০৯ ।। ব্যাটারি এবং একাধিক রেজিস্টার একসাথে সংযোগ করার অর্থ হলো একটি
বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করা, যেখানে ব্যাটারি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে এবং রেজিস্টরগুলো (রোধক) বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে; ব্যাটারিগুলোকে সিরিজ (শ্রেণিবদ্ধ) বা প্যারালাল (সমান্তরাল) সংযোগের মাধ্যমে ভোল্টেজ ও কারেন্ট বাড়ানো যায় (সিরিজে ভোল্টেজ বাড়ে, প্যারালালে অ্যাম্প-আওয়ার বাড়ে) এবং রেজিস্টরগুলোকে সার্কিটে সিরিজে বা প্যারালালে সংযোগ করে মোট রোধ এবং কারেন্টের পরিমাণ পরিবর্তন করা যায়, যা ওহমের সূত্র (
V=IRcap V equals cap I cap R
𝑉=𝐼𝑅
) অনুযায়ী কাজ করে।
ব্যাটারি সংযোগের পদ্ধতি
সিরিজ (শ্রেণিবদ্ধ): একটি ব্যাটারির নেগেটিভ প্রান্ত অন্যটির পজিটিভ প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। এতে মোট ভোল্টেজ বাড়ে কিন্তু অ্যাম্প-আওয়ার (Ah) একই থাকে।
প্যারালাল (সমান্তরাল): সব ব্যাটারির পজিটিভ প্রান্ত একসাথে এবং নেগেটিভ প্রান্ত একসাথে যুক্ত করা হয়। এতে ভোল্টেজ একই থাকে কিন্তু মোট অ্যাম্প-আওয়ার (Ah) বাড়ে, যা বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
রেজিস্টর সংযোগের পদ্ধতি
সিরিজ: রেজিস্টরগুলো একটির পর একটি যুক্ত করা হয়। এতে মোট রোধ বাড়ে (
Rtotal=R1+R2+R3+…cap R sub t o t a l end-sub equals cap R sub 1 plus cap R sub 2 plus cap R sub 3 plus …
𝑅𝑡𝑜𝑡𝑎𝑙=𝑅1+𝑅2+𝑅3+…
) এবং প্রতিটি রেজিস্টরের মধ্য দিয়ে একই কারেন্ট প্রবাহিত হয়।
প্যারালাল: রেজিস্টরগুলোর সব এক প্রান্ত একটি বিন্দুতে এবং অন্য প্রান্তগুলো আরেকটি বিন্দুতে যুক্ত করা হয়। এতে মোট রোধ কমে এবং সার্কিট থেকে বেশি কারেন্ট পাওয়া যায়।
ব্যাটারি ও রেজিস্টরের সম্মিলিত সার্কিট
উদ্দেশ্য: ব্যাটারির ভোল্টেজ ও রেজিস্টরের রোধ পরিবর্তন করে সার্কিটে প্রয়োজনীয় কারেন্ট (যেমন - আলো জ্বালানো বা মোটর চালানো) নিয়ন্ত্রণ করা।
নিয়ম:ওহমের সূত্র (V=IR) অনুযায়ী, ভোল্টেজ (V) = কারেন্ট (I) × রোধ (R)। সার্কিটে মোট ভোল্টেজ ও মোট রোধ বের করে কারেন্ট নির্ণয় করা যায়।