Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫০ অপরাহ্ণ

লবণ শনাক্তকরণ
লবণ শনাক্তকরণের ধাপসমূহ: 
১. প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ:
* রঙ ও গন্ধ: লবণের বাহ্যিক রং ও গন্ধ পরীক্ষা করা হয়।
* দ্রাব্যতা: লবণটি পানিতে, অ্যাসিডে বা অন্যান্য দ্রাবকে দ্রবণীয় কিনা তা দেখা হয়। 
২. ভৌত পরীক্ষা (শিখা পরীক্ষা):
* উদ্দেশ্য: ধাতব আয়নের উপস্থিতি পরীক্ষা করা।
* পদ্ধতি: লবণকে প্লাটিনাম তারে বা কাঁচদন্ডে নিয়ে শিখায় ধরলে নির্দিষ্ট রঙের শিখা দেখা যায় (যেমন: সোডিয়ামের জন্য হলুদ, পটাশিয়ামের জন্য বেগুনি)। 
৩. সিক্ত পরীক্ষা (Wet Test - মূল দ্রবণ তৈরি):
* লবণকে পানিতে দ্রবীভূত করে মূল দ্রবণ তৈরি করা হয়। 
৪. ক্যাটায়ন (ক্ষারকীয় মূলক) শনাক্তকরণ:
* গ্রুপ বিকারক: মূল দ্রবণে নির্দিষ্ট গ্রুপ বিকারক যোগ করে ক্যাটায়নগুলোকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয় (যেমন: অ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড, অ্যামোনিয়াম সালফাইড ইত্যাদি)।
* নির্দিষ্ট পরীক্ষা: প্রতিটি গ্রুপের জন্য আলাদা পরীক্ষা করা হয়, যেমন সোডিয়াম (
Na+cap N a raised to the positive power
𝑁𝑎+
) শনাক্ত করতে পটাশিয়াম পাইরোঅ্যান্টিমোনেট ব্যবহার করা হয়।
৫. অ্যানায়ন (অম্লীয় মূলক) শনাক্তকরণ:
* মূল দ্রবণ ও লঘু HCl: মূল দ্রবণকে লঘু হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করানো হয় (গ্যাস উৎপন্ন হলে বা অধঃক্ষেপ পড়লে)।
* নির্দিষ্ট পরীক্ষা: বিভিন্ন অ্যানায়নের জন্য (যেমন ক্লোরাইড, সালফেট, নাইট্রেট) নির্দিষ্ট বিকারক (যেমন সিলভার নাইট্রেট, বেরিয়াম ক্লোরাইড) ব্যবহার করে পরীক্ষা করা হয়। এই ধাপগুলো অনুসরণ করে একটি অজানা লবণ থেকে তার উপাদান আয়নগুলো শনাক্ত করা যায়। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট