সহকারী শিক্ষক
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ রসায়ন
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-৩
কনটেন্টটির শুরুতে বাস্তবধর্মী উদাহরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পদার্থের গঠন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে ।
মৌলিক পদার্থ: যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো নতুন পদার্থ পাওয়া যায় না । যেমন: সোনা, লোহা, অক্সিজেন । এটি কেবল এক ধরণের পরমাণু দিয়ে তৈরি ।
যৌগিক পদার্থ: দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ রাসায়নিকভাবে মিশে যখন নতুন ধর্মবিশিষ্ট পদার্থ তৈরি করে, তাকে যৌগিক পদার্থ বলে । যেমন: পানি ।
রসায়নের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার সংজ্ঞা ও পার্থক্য এখানে দেওয়া হয়েছে:
পরমাণু (Atom): মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারে কিন্তু সাধারণত স্বাধীনভাবে থাকতে পারে না ।
অণু (Molecule): পদার্থের ক্ষুদ্রতম একক যা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে এবং পদার্থের সব গুণাগুণ বজায় রাখে । এটি দুই বা ততোধিক পরমাণুর রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয় ।
মৌলগুলোকে সংক্ষেপে চেনার জন্য প্রতীক ও সংকেত ব্যবহারের নিয়মগুলো আলোচনা করা হয়েছে:
প্রতীক (Symbol): মৌলের ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের সংক্ষিপ্ত রূপ । যেমন: হাইড্রোজেনের প্রতীক H এবং পটাশিয়ামের প্রতীক K ।
সংকেত (Formula): অণুকে চিহ্নের সাহায্যে সংক্ষেপে প্রকাশ করাকে সংকেত বলে । যেমন: অক্সিজেনের সংকেত এবং পানির সংকেত ।
পরমাণুর অভ্যন্তরীণ গঠন এবং এর কণিকাগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে:
কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস: পরমাণুর কেন্দ্রে ধনাত্মক চার্জযুক্ত ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস থাকে ।
মূল কণিকা: নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে এবং নিউক্লিয়াসের চারপাশে নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে ইলেকট্রন ঘোরে ।
পারমাণবিক ও ভর সংখ্যা: প্রোটন সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা এবং প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে ভর সংখ্যা বলা হয় ।
শিক্ষার্থীদের পাঠ যাচাইয়ের জন্য এখানে কিছু বহুনির্বাচনী প্রশ্ন রাখা হয়েছে। যেমন:
রাদারফোর্ড মডেল অনুযায়ী নিউক্লিয়াস ধনাত্মক ও ক্ষুদ্র ।
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে ।