Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৭ অপরাহ্ণ

তোতা- কাহিনী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'তোতাকাহিনী' গল্পের মূলভাব হলো, যান্ত্রিক ও কায়দা-কানুন সর্বস্ব শিক্ষাব্যবস্থা কীভাবে শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা ও আত্মাকে মেরে ফেলে তা তুলে ধরা। পাখিটির স্বভাবজাত চঞ্চলতা ও স্বাধীনতাকে উপেক্ষা করে জোর করে পুথিগত বিদ্যা গেলাতে গিয়ে পাখিটি মারা যায়, যা প্রকৃত শিক্ষার পরিবর্তে শুধুমাত্র স্বাক্ষরতা বা ডিগ্রি অর্জনের নিরর্থকতাকে রূপকভাবে ফুটিয়ে তোলে।

   গল্পের মূল বিষয়সমূহ:

যন্ত্রনির্ভর শিক্ষা: তোতা পাখিকে খাঁচায় বন্দি করে রাজা ও পণ্ডিতরা পুঁথিগত বিদ্যা শেখাতে চান, যা তার স্বভাবের পরিপন্থী। 

সৃজনশীলতার মৃত্যু: শিক্ষার নামে পাখিটির স্বাধীনতা, লাফালাফি ও ওড়ার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়, ফলে পাখিটি শেষ পর্যন্ত জ্ঞান নয়, বরং 'বিদ্যা' গিলতে গিয়ে প্রাণ হারায়।

বাস্তবতার সাথে অমিল: বাইরের জাঁকজমকপূর্ণ খাঁচা (শিক্ষা কাঠামো) তৈরিতে ব্যস্ত থাকলেও পাখির ভেতরের জ্ঞানের বিকাশ হয়নি।

রূপক অর্থ: এই গল্পটি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় শুধু ডিগ্রি অর্জনের প্রবণতাকে ব্যঙ্গ করে এবং শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্বের বিকাশের ওপর জোর দেয়। 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট