Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৬ মার্চ, ২০২৬ ০৫:০৩ অপরাহ্ণ

কম্পিউটার প্রকারভেদ

কম্পিউটার প্রধানত কাজের ধরন, আকার কার্যক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত।

 

কাজের ভিত্তিতে এগুলো প্রধানত তিন প্রকার

 

১। অ্যানালগ (Analog) কম্পিউটার

২। ডিজিটাল (Digital) কম্পিউটার

৩।  হাইব্রিড (Hybrid) কম্পিউটার

 

এছাড়া ডিজিটাল আকার অনুযায়ী চার ভাগে ভাগ করা যায়

১। সুপার কম্পিউটার

২। মেইনফ্রেম কম্পিউটার

৩।  মিনি কম্পিউটার

৪।  মাইক্রোকম্পিউটার

 

কম্পিউটারের বিস্তারিত শ্রেণিবিভাগ:

. কাজের ধরনের ওপর ভিত্তি করে (Types by Data Handling):

  • অ্যানালগ কম্পিউটার: ক্রমাগত পরিবর্তনশীল ডেটা বা ভৌত অবস্থা (যেমন- তাপমাত্রা, চাপ, বিদ্যুৎ প্রবাহ) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়

  • ডিজিটাল কম্পিউটার: সংখ্যা (0 এবং 1) বা বাইনারি ডিজিট ব্যবহার করে লজিক্যাল গাণিতিক হিসাব করে

  • হাইব্রিড কম্পিউটার: অ্যানালগ ডিজিটালউভয় ধরনের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যেমন দ্রুত গতির, তেমনি সুনির্দিষ্ট ফলাফল দিতে সক্ষম  

. আকার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে (Types by Size & Power):

  • সুপার কম্পিউটার (Supercomputer): সবচেয়ে দ্রুতগতি শক্তিশালী, জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়

  • মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer): বিশাল ক্ষমতার কম্পিউটার, যা বড় প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকে একই সাথে অনেক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে

  • মিনি কম্পিউটার (Minicomputer): মেইনফ্রেমের চেয়ে ছোট কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় শক্তিশালী

  • মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer): সবচেয়ে ছোট, ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার, যেমন- ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন  

. ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে:

  • ওয়ার্কস্টেশন (Workstation): পেশাদার কাজের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একক ব্যবহারকারী কম্পিউটার

  • সার্ভার (Server): নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারগুলোকে সেবা বা ডেটা সরবরাহ করে

  • এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer): নির্দিষ্ট কাজের জন্য ছোট ডিভাইসের ভেতরে থাকা কম্পিউটার (যেমন- স্মার্ট ওয়াচ)

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট