প্রভাষক
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ একাদশ
বিষয়ঃ পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র
ইউনিটঃ ১ম অধ্যায়: ভৌত জগৎ ও পরিমাপ
স্ফেরোমিটারঃ
কোনো গোলীয় পৃষ্ঠের বক্রতার ব্যাসার্ধের নির্ভুল পরিমাপের জন্য স্ফেরোমিটার ব্যবহার করা হয়। এ যন্ত্রের সাহায্যে গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা যায় বলে এর নাম স্ফেরোমিটার।
সাধারণত স্ফেরোমিটারের একটি কেন্দ্রীয় পা(যা একটি নাটের মাধ্যমে উঠানামা করতে পারে) এবং তিনটি বহিরাগত পা থাকে; তিনটি পা একত্রে একটি সমবাহু ত্রিভুজ গঠন করে এবং প্রত্যেক পা ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু নির্দেশ করে। স্ক্রুর নিচের অংশ অনেক সূক্ষ্মভাবে তৈরি যেন পা-গুলো গোলীয় তলে ঠিকমতো অবস্থান করতে পারে। যদি স্ক্রুটির সাথে যুক্ত স্কেলের দুটি দাগ মিলি মিটারে হয় তবে এর মাথাটি সাধারণত ৫০ টি সমান অংশে বিভক্ত হয়, যাতে ০.০১ মিলিমিটারের পার্থক্য কোনো ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার না করে মাপা যায়। স্কেলের দাগসংখ্যা বড় করে দেখার জন্য কোনো লেন্স ব্যবহার করা যেতে পারে। স্ফেরোমিটারের মাঝে সংযুক্ত একটি উল্লম্ব স্কেল স্ক্রুটির পূর্ণ ঘুর্ণনের সংখ্যা নির্দেশ করে এবং এর সম্মুখ অংশের দাগসংখ্যা পড়ার জন্য একটি সূচক হিসাবে কাজ করে।
স্পর্শের অনুভূতি দ্বারা যতটা সম্ভব, স্পর্শ করার মুহুর্তটি আরও স্পষ্টভাবে বোঝাতে একটি সংযোগ-লিভার, সূক্ষ্ম স্তর বা বৈদ্যুতিক যোগাযোগের ব্যবস্থা স্ফেরোমিটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়। একটি গোলকের ব্যাসার্ধ পরিমাপ করতে; যেমনঃ একটি লেন্সের বক্রতা নির্ণয় করতে স্ফেরোমিটারটির সমান করে পাঠ নেয়া হয় এবং তারপরে গোলকের উপর স্থাপন করা হয়, তিনটি পা এবং কেন্দ্রীয় পা সমান চাপ না দেওয়া পর্যন্ত সামঞ্জস্য করা হয় এবং আবার পাঠ নিতে হয়। দুটি পাঠ নেয়ার পর যে পার্থক্য বের হয় সেটিই লেন্সের বক্রতার পরিমাণ নির্দেশ করে।
স্ফেরোমিটার সরাসরি একটি সাজিটা, h পরিমাপ করে। দুটি বহিরাগত পায়ের মধ্যবর্তী দুরত্ব, a ব্যবহার করে, বক্রতার ব্যাসার্ধ R হবেঃ
R=(h/2)+(a2/6h)