সহকারী শিক্ষক
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:২৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ পঞ্চম
বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ৩
অধ্যায় ৩: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী) মূল বক্তব্য নিচে ১০টি লাইনে সারসংক্ষেপ আকারে তুলে ধরা হলো:
১. এই উপস্থাপনাটি পঞ্চম শ্রেণির 'বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়' বিষয়ের তৃতীয় অধ্যায়ের "বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী" সম্পর্কিত। ২. বাংলাদেশে বাঙালি ছাড়াও নিজস্ব ভাষা, পোশাক, খাবার ও সংস্কৃতি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অনেক ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ বসবাস করে। ৩. গারো নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা 'আচিক', তাদের সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক এবং প্রধান ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'। ৪. খাসি নৃগোষ্ঠীর ভাষা 'মনখেমে', তারা মাতৃতান্ত্রিক পুঞ্জিভিত্তিক সমাজে বাস করে এবং 'সেং কুটনেম' উৎসব পালন করে। ৫. ঊরাও নৃগোষ্ঠী প্রধানত পিতৃতান্ত্রিক, তারা কুড়ুখ ও সাদরি ভাষায় কথা বলে এবং ভাদ্র মাসে 'কারাম' উৎসব উদযাপন করে। ৬. মারমা নৃগোষ্ঠী বান্দরবানে বাস করে, তারা জুম চাষের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে এবং বর্ষবরণে 'চাংকান' উৎসব পালন করে। ৭. সাঁওতাল নৃগোষ্ঠী পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার অন্তর্গত, তাদের প্রধান উৎসব 'সোহরাই' যা ফসল তোলার পর পৌষ মাসে উদযাপিত হয়। ৮. সমাজব্যবস্থার দিক থেকে গারো ও খাসি সমাজ মাতৃতান্ত্রিক হলেও ঊরাও, মারমা ও সাঁওতাল সমাজ মূলত পিতৃতান্ত্রিক। ৯. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের নিজস্ব ভাষা, উৎসব, ঐতিহ্যকে শ্রদ্ধা ও সংরক্ষণ করা এবং তাদের প্রতি বৈষম্যহীন আচরণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব। ১০. এই সকল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করেছে এবং তারা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।