Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৯ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন

অধ্যায় ৬: বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন) মূল বক্তব্য নিচে  সারসংক্ষেপ আকারে তুলে ধরা হলো:


১. এই উপস্থাপনাটি পঞ্চম শ্রেণির 'বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়' বিষয়ের ষষ্ঠ অধ্যায়ের "বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন" সম্পর্কিত।

২. মহাস্থানগড় বগুড়ার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন দুর্গ ও প্রশাসনিক কেন্দ্র, যা মৌর্য আমলে 'পুণ্ডনগর' নামে পরিচিত ছিল।

৩. নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বর খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ অব্দের আগের একটি প্রাচীন নগর ও নদীবন্দর, যেখানে ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা ও প্রাচীন রাজাঘাট পাওয়া গেছে।

৪. নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা 'সোমপুর বিহার' পাল রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ একটি বৌদ্ধ বিহার।

৫. কুমিল্লার ময়নামতি বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম কেন্দ্র এবং এখানকার শালবন বিহারে ১১৫টি ভিক্ষুকক্ষ রয়েছে।

৬. নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত পানামনগর ঊনবিংশ শতকে হিন্দু বণিকদের দ্বারা গড়ে ওঠা সুতা ব্যবসার একটি ঐতিহাসিক কেন্দ্র ছিল।

৭. ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত লালবাগ কেল্লা মোগল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন, যার প্রথম নাম ছিল 'কেল্লা আওরঙ্গবাদ'।

৮. ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শনগুলো আমাদের অতীত ইতিহাস, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পূর্বপুরুষদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে জ্ঞান দেয়।

৯. প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও জাদুঘরের নিদর্শনে হাত না দেওয়া, দাগ না দেওয়া এবং ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার মতো আচরণবিধি মেনে চলা উচিত।

১০. জাতীয় পরিচয় রক্ষা, শিক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে এই নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।

মন্তব্য করুন