Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৬ জুলাই, ২০২৬ ০১:১৪ অপরাহ্ণ

পোলারিমিটার (Polarimeter): গঠন ও কার্যনীতি

পোলারিমিটার (Polarimeter): গঠন ও কার্যনীতি

পোলারিমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র, যার সাহায্যে অপটিক্যালি সক্রিয় (Optically Active) পদার্থ সমতল-ধ্রুবিত আলোকে কত কোণে আবর্তিত করে তা পরিমাপ করা হয়।

পোলারিমিটারের গঠন

একটি সাধারণ পোলারিমিটারের প্রধান অংশগুলো হলো—

  1. আলোক উৎস (Light Source)
    • সাধারণত সোডিয়াম বাতি (Sodium Lamp) ব্যবহার করা হয়।
    • এটি একবর্ণী (Monochromatic) আলো প্রদান করে।
  2. পোলারাইজার (Polarizer)
    • সাধারণ আলোকে সমতল-ধ্রুবিত (Plane Polarized) আলোতে রূপান্তরিত করে।
    • সাধারণত নিকোল প্রিজম বা পোলারয়েড ব্যবহৃত হয়।
  3. নমুনা নল (Sample Tube)
    • এতে অপটিক্যালি সক্রিয় দ্রবণ রাখা হয়।
    • নলের দৈর্ঘ্য সাধারণত 1–2 ডেসিমিটার হয়।
  4. অ্যানালাইজার (Analyzer)
    • এটি আরেকটি ঘূর্ণনযোগ্য নিকোল প্রিজম।
    • আলো কত কোণে আবর্তিত হয়েছে তা নির্ণয় করে।
  5. আইপিস ও স্কেল (Eyepiece and Scale)
    • আইপিস দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
    • স্কেল থেকে ঘূর্ণন কোণ (Rotation Angle) পড়া হয়।

কার্যনীতি (Working Principle)

পোলারিমিটার অপটিক্যাল ঘূর্ণনের নীতিতে (Optical Rotation) কাজ করে।

কার্যধাপ:

  1. সোডিয়াম বাতি থেকে একবর্ণী আলো নির্গত হয়।
  2. পোলারাইজার সেই আলোকে সমতল-ধ্রুবিত আলোতে পরিণত করে।
  3. এই আলো নমুনা নলের মধ্যে থাকা অপটিক্যালি সক্রিয় দ্রবণের মধ্য দিয়ে যায়।
  4. দ্রবণটি সমতল-ধ্রুবিত আলোর কম্পন তলকে একটি নির্দিষ্ট কোণে ডানে (+) বা বামে (−) ঘুরিয়ে দেয়।
  5. অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে সর্বাধিক বা সমান উজ্জ্বলতার অবস্থান নির্ণয় করা হয়।
  6. স্কেল থেকে যে কোণ পাওয়া যায়, সেটিই অপটিক্যাল ঘূর্ণন (Optical Rotation, α)
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট