এই টপিক শেষ করে আমরা বিভিন্ন সুইচ চিহ্নিত করণ এবং এর ব্যবহার করতে পারবো। *পোল এবং থ্রো-এর ওপর ভিত্তি করে
- SPST (Single Pole Single Throw): সবচেয়ে সাধারণ অন/অফ সুইচ, যা একটিমাত্র সার্কিট নিয়ন্ত্রণ করে।
- SPDT (Single Pole Double Throw): একটি ইনপুট টার্মিনালকে দুটি আলাদা আউটপুটের সাথে যুক্ত করতে পারে (যেমন- টু-ওয়ে সুইচ)।
- DPST (Double Pole Single Throw): একসাথে দুটি পৃথক লাইনের সার্কিট অন বা অফ করতে ব্যবহৃত হয়।
- DPDT (Double Pole Double Throw): দুটি আলাদা সার্কিটের প্রতিটির জন্য দুটি করে আউটপুট পরিবর্তন করতে পারে。 [1, 2, 3, 4, 5]
*গঠন ও মেকানিজমের ওপর ভিত্তি করে
- টগল সুইচ (Toggle Switch): লিভার বা হ্যান্ডেল উপর-নিচে বা ডানে-বামে ফ্লিপ করে চালু-বন্ধ করা হয়।
- পুশ-বাটন সুইচ (Push-Button Switch): বোতাম চেপে সাময়িকভাবে সার্কিট চালু বা বন্ধ করা হয়, যেমন- কলিং বেল বা কিবোর্ডের কি।
- রকার সুইচ (Rocker Switch): একপাশে চাপ দিলে অন এবং অন্যপাশে চাপ দিলে অফ হয়, যা সাধারণত এক্সটেনশন কর্ডে থাকে。
- রোটারি সুইচ (Rotary Switch): একটি নব বা চাকা ঘুরিয়ে বিভিন্ন চ্যানেল বা মোড নির্বাচন করা হয়, যেমন- ফ্যানের রেগুলেটর বা ওভেনের টাইমার।
- স্লাইড সুইচ (Slide Switch): একটি নব সামনে-পিছনে স্লাইড বা টেনে নিয়ে সার্কিট নিয়ন্ত্রণ করা হয়। [1, 2, 3]
*বাসাবাড়ি ও ইন্ডাস্ট্রিতে বিশেষ ব্যবহার
- লিমিট সুইচ (Limit Switch): কোনো যন্ত্র বা বস্তুর শারীরিক গতিবিধি বা স্পর্শের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে।
- ফ্লোট সুইচ (Float Switch): তরলের স্তর বা পানির উচ্চতা মেপে মোটরের লাইন অন/অফ করে।
- টাচ সুইচ (Touch Switch): আঙুলের আলতো স্পর্শে বা সেন্সরের মাধ্যমে কাজ করে।