সুকান্ত ভট্টাচার্যের'রানার' কবিতায় শ্রমজীবী মানুষের ক্লান্তিহীন জীবনসংগ্রাম, বিশাল দায়িত্ববোধ এবং তাদের প্রতি সমাজের চরম অবহেলা ও বঞ্চনার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রানার হলো অন্যের সুখ-দুঃখের খবর ও মানি অর্ডার পৌঁছে দেওয়া এক ক্লান্ত বাহক, যার নিজের কষ্টের খোঁজ রাখার কেউ নেই।
রানার কবিতার মূলভাবের মূল দিকগুলো
শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম: রানার রাতের অন্ধকারে, শীত-বৃষ্টি উপেক্ষা করে লণ্ঠন জ্বালিয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ছুটে চলে।
দায়িত্ববোধ ও সততা: ব্যক্তিগত ক্লান্তি, ক্ষুধা ও কষ্টকে পেছনে ফেলে সে তার ওপর অর্পিত পেশাগত দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করে।
বঞ্চনা ও উদাসীনতা: সে অন্যের চিঠিতে সুখ বা কান্নার বার্তা বয়ে বেড়ায়, অথচ রানারদের নিজস্ব জীবনে ভালোবাসা ও সুখের আলো ফোটে না।
প্রতীকী অর্থ: রানার কেবল একজন ডাকপিয়ন নয়; সে সমাজের সমস্ত অবহেলিত, মেহনতি ও বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি।