Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ

আখলাকে হামিদা' বা প্রশংসনীয় চরিত্রের শত উপমা Academic & Refined Vocabulary

আখলাকে হামিদা' বা প্রশংসনীয় চরিত্রের শত উপমা (Academic & Refined Vocabulary) প্রতিটি বাক্যই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিন্যাস 

​১. দরিদ্র ও অসহায়দের প্রতি সর্বদা দানশীল হওয়া।

২. সর্বাবস্থায় সত্যবাদিতা ও সততা বজায় রাখা।

৩. ওজনে ও পরিমাপে সর্বদা সততা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করা।

৪. মহান আল্লাহর সকল সৃষ্টির প্রতি সদয় হওয়া ও সেবা করা।

৫. নিঃস্বার্থভাবে অপরের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করা।

৬. অপরের আমানত পরম বিশ্বস্ততার সাথে সংরক্ষণ করা।

৭. শ্রমিকের ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার ন্যায্য পারিশ্রমিক ও মর্যাদা নিশ্চিত করা।

৮. অন্যের ভুলত্রুটি উদারচিত্তে ক্ষমা করে দেওয়া।

৯. সর্বদা বৈধ ও হালাল পন্থায় জীবিকা নির্বাহ করা।

১০. বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা।

১১. চলাচলের পথ থেকে সব ধরনের কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা।

১২. বয়ঃকনিষ্ঠদের প্রতি অকৃত্রিম স্নেহ ও মমতা প্রদর্শন করা।

১৩. নিরন্তর অনুশীলনের মাধ্যমে উত্তম চরিত্র গঠন করা।

১৪. নির্ধারিত সময়ে একাগ্রতার সাথে নিয়মিত সালাত আদায় করা।

১৫. পোশাক-পরিচ্ছদ ও আচার-আচরণে পূর্ণ শালীনতা বজায় রাখা।

১৬. পিতামাতার সকল ন্যায়সঙ্গত আদেশ নিষ্ঠার সাথে পালন করা।

১৭. পিতামাতাকে তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা করা।

১৮. স্বাবলম্বী হয়ে নিজের কাজ নিজে সম্পন্ন করার অভ্যাস গড়ে তোলা।

১৯. শিক্ষাগুরুদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভক্তি প্রদর্শন করা।

২০. পিতামাতার প্রতি সর্বদা সর্বোচ্চ সম্মান ও বিনয়াবনত থাকা।

২১. আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য থাকলে পবিত্র হজব্রত পালন করা।

২২. সময়ের যথাযথ মূল্যায়ন করে নির্ধারিত কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করা।

২৩. প্রতিবেশীর সাথে সর্বদা হৃদ্যতাপূর্ণ ও উত্তম আচরণ করা।

২৪. বিপদগ্রস্ত মানুষকে সাধ্যমতো সহায়তা ও উদ্ধার করা।

২৫. অসুস্থ ব্যক্তির আন্তরিক সেবা-শুশ্রূষা ও খোঁজখবর নেওয়া।

২৬. অতিথির প্রতি উষ্ণ সমাদর ও যথাযথ আতিথেয়তা প্রদর্শন করা।

২৭. পরিচিত-অপরিচিত নির্বিশেষে সকলের সাথে হাসিমুখে সালাম বিনিময় করা।

২৮. সর্বদা প্রফুল্ল চিত্তে ও নম্র স্বরে কথোপকথন করা।

২৯. প্রদত্ত ওয়াদা বা প্রতিশ্রুতি বিশ্বস্ততার সাথে পালন করা।

৩০. যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতেও ন্যায় ও সত্যের পথে অবিচল থাকা।

৩১. সর্বদা পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র জীবনযাপন নিশ্চিত করা।

৩২. বিপদে-আপদে কিংবা সংকটে পরম ধৈর্য ধারণ করা।

৩৩. মহান আল্লাহর দেওয়া অগণিত নিয়ামতের প্রতি সর্বদা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা।

৩৪. সহপাঠী ও বন্ধুদের সাথে আন্তরিকতাপূর্ণ ও সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখা।

৩৫. অপরের সুখ ও সফলতায় ঈর্ষান্বিত না হয়ে আনন্দ প্রকাশ করা।

৩৬. অপরের সার্বিক কল্যাণের জন্য কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করা।

৩৭. উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতেও নিজের রাগ ও আবেগকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা।

৩৮. জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে বিনয় ও নম্রতা বজায় রাখা।

৩৯. প্রতিটি বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্দর চিন্তার অধিকারী হওয়া।

৪০. আজীবন নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে আত্মনিয়োগ করা।

৪১. অপরের ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং তা মনোযোগ সহকারে শোনা।

৪২. সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রচলিত সকল নিয়ম-কানুন ও আইন মেনে চলা।

৪৩. নিয়মিত বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা।

৪৪. চারপাশের প্রাণী ও পশু-পাখির প্রতি সদয় ও মানবিক আচরণ করা।

৪৫. অসহায় ও ইয়াতিমদের দায়িত্ব গ্রহণ অথবা তাদের সাধ্যমতো সহায়তা করা।

৪৬. অভাবগ্রস্তকে সামর্থ্য অনুযায়ী করজে হাসানা (উত্তম ঋণ) প্রদান করে সহায়তা করা।

৪৭. অপরের যেকোনো মহৎ ও ভালো কাজের অকুণ্ঠ স্বীকৃতি ও প্রশংসা করা।

৪৮. নিজের ভুল অনুধাবন করতে পারলে তা বিনয়ের সাথে স্বীকার করে নেওয়া।

৪৯. মানুষের মধ্যকার দ্বন্দ্ব ও ঝগড়া-বিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করে দেওয়া।

৫০. সর্বদা সৎ, চরিত্রবান ও গুণীজনদের সাহচর্য অন্বেষণ করা।

৫১. সুস্বাস্থ্যের জন্য সর্বদা পবিত্র, পুষ্টিকর ও হালাল আহার গ্রহণ করা।

৫২. অপচয় পরিহার করে পরিমিত ব্যয়ের মাধ্যমে মিতব্যয়ী জীবনযাপন করা।

৫৩. পরিবারের সদস্যদের সাথে গুণগত ও আনন্দময় সময় অতিবাহিত করা।

৫৪. দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পারস্পরিক গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বজায় রাখা।

৫৫. আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক ও আত্মীয়তার বন্ধন (সিলাহ্ রাহমি) অটুট রাখা।

৫৬. অপরের যেকোনো আর্থিক সংকটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসা।

৫৭. পথহারা বা অপরিচিত পথচারীকে সঠিক গন্তব্যের দিশা দেওয়া।

৫৮. দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও বয়োজ্যেষ্ঠদের নিরাপদে রাস্তা পারাপারে সহায়তা করা।

৫৯. যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসা।

৬০. সর্বদা রুচিশীল, পরিপাটি ও সুন্দর পোশাক পরিধান করা।

৬১. অপরের সম্মান ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কঠোরভাবে রক্ষা করা।

৬২. ব্যক্তিগত ও সমাজজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।

৬৩. নিজ নিজ অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি সর্বোচ্চ নিষ্ঠাবান হওয়া।

৬৪. দলগত যেকোনো কাজে একে অপরের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব পোষণ করা।

৬৫. পবিত্র রমজান মাসে গভীর নিষ্ঠা ও তাকওয়ার সাথে সিয়াম পালন করা।

৬৬. সম্পদের সঠিক হিসাব নিরূপণ করে যথাযথভাবে যাকাত ও ফিতরা আদায় করা।

৬৭. পবিত্র কোরআন অর্থ বুঝে তিলাওয়াত করা এবং এর মর্মার্থ অনুধাবন করা।

৬৮. আল্লাহর আমানত হিসেবে নিজের শারীরিক সুস্থতার সঠিক যত্ন নেওয়া।

৬৯. অপরের সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে তাকে আরও বেশি উৎসাহিত করা।

৭০. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল নিয়মশৃঙ্খলা, পবিত্রতা ও শিষ্টাচার মেনে চলা।

৭১. পড়াশোনায় তুলনামূলক দুর্বল সহপাঠীদের আন্তরিকভাবে সহায়তা করা।

৭২. ক্রীড়াঙ্গনে সর্বদা সুস্থ প্রতিযোগিতা ও খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব বজায় রাখা।

৭৩. গণপরিবহন বা জনসমাগমে বয়োজ্যেষ্ঠ ও অসুস্থদের বসার সুযোগ করে দেওয়া।

৭৪. সর্বদা সুন্দর, মার্জিত ও প্রমিত ভাষায় বাক্যালাপ করা।

৭৫. মহান স্রষ্টার অপরূপ সৃষ্টি ও মহাবিশ্ব নিয়ে চিন্তাভাবনা ও গবেষণা করা।

৭৬. বিপদগ্রস্ত ও হতাশায় নিমজ্জিত মানুষকে সাহস ও মানসিক সান্ত্বনা প্রদান করা।

৭৭. নিজের মাতৃভূমির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দেশপ্রেম লালন করা।

৭৮. রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় সম্পদকে নিজের আমানত মনে করে রক্ষণাবেক্ষণ করা।

৭৯. দৈনন্দিন কাজকর্মে পানির অপচয় রোধ করে এর পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

৮০. নিরাপদে পথ চলার জন্য সর্বদা ট্রাফিক আইন ও নিয়মাবলি মেনে চলা।

৮১. দিনশেষে নিজের ভালো-মন্দ কাজের গঠনমূলক আত্মপর্যালোচনা বা মুহাসাবা করা।

৮২. মহৎ ব্যক্তিদের সুন্দর গুণাবলি নিজ জীবনে ধারণ ও অনুকরণ করা।

৮৩. যেকোনো কাজে নিজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করার পর আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা ভরসা করা।

৮৪. জীবনের যেকোনো পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে হাসিখুশি ও প্রফুল্ল থাকা।

৮৫. অপরের দুঃখ-কষ্টে গভীরভাবে ব্যথিত হওয়া এবং সহানুভূতি জ্ঞাপন করা।

৮৬. পারস্পরিক হৃদ্যতা ও ভালোবাসা বৃদ্ধিতে উপহার আদান-প্রদান করা।

৮৭. প্রতিটি কল্যাণকর কাজের সূচনা 'বিসমিল্লাহ' বলার মাধ্যমে করা।

৮৮. হাঁচি এলে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলে মহান রবের প্রশংসা করা।

৮৯. হাঁচিদাতার জবাবে 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' বলে তার জন্য রহমতের দোয়া করা।

৯০. আহারের শুরু ও শেষে রিজিকদাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা বা শুকরিয়া জ্ঞাপন করা।

৯১. রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে এবং ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর মাসনুন দোয়া পাঠ করা।

৯২. পার্থিব কোনো প্রতিদানের আশা না করে নিঃস্বার্থভাবে অপরের কল্যাণ করা।

৯৩. মানুষকে সর্বদা সৎ, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ বা আহ্বান করা।

৯৪. নিজ এলাকার যেকোনো সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করা।

৯৫. সত্য ও ন্যায়ের সপক্ষে সর্বদা অকুতোভয় ও দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা।

৯৬. যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণের পূর্বে নিজের সুস্থ বিবেকবোধ জাগ্রত রাখা।

৯৭. অনাথ আশ্রম বা বৃদ্ধাশ্রমের নিবাসীদের সাথে কিছুটা সময় অতিবাহিত করে তাদের সঙ্গ দেওয়া।

৯৮. পরিচিত কারো বিপদের সংবাদ পাওয়ামাত্রই দ্রুত তার সাহায্যে এগিয়ে যাওয়া।

৯৯. প্রতিটি পদক্ষেপে পরকালীন জবাবদিহিতার কথা স্মরণ রেখে জীবন অতিবাহিত করা।

১০০. জীবনের প্রতিটি নেক আমল ও কাজ একমাত্র মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যেই সম্পাদন করা।


মন্তব্য করুন