সহকারী শিক্ষক
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'কুলি-মজুর' কবিতা
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ সপ্তম
বিষয়ঃ সপ্তবর্না বাংলা
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-১১ (কবিতা)
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'কুলি-মজুর' কবিতার মূলভাব হলো মানবসভ্যতার নির্মাণে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের অবিস্মরণীয় অবদান এবং তাদের প্রতি সমাজের তথাকথিত উচ্চবিত্ত শ্রেণির অবমূল্যায়ন ও অমানবিক আচরণের প্রতিবাদ। কবি এখানে সাম্যবাদের জয়গান গেয়েছেন এবং দেখিয়েছেন যে কুলি-মজুরের রক্ত-ঘামে গড়া এই সভ্যতার আসল মালিক এরাই, অথচ তারা সবসময় বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত হয়।
মূল বিষয়সমূহ
· সভ্যতার প্রকৃত কারিগর: দধীচি মুনির মতো যারা নিজেদের সর্বস্ব ত্যাগ করে তিল তিল করে মানবসভ্যতা ও আধুনিক সৌধ নির্মাণ করেছে, তারা হলো এই সাধারণ কুলি ও মজুর।
· বিত্তশালীদের শোষণ: তথাকথিত ধনী ও বাবু শ্রেণির লোকেরা এই অবলা ও দুর্বল শ্রমজীবীদের ঘাম ঝরানো শ্রমের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে, অথচ তাদেরই অবজ্ঞা ও ঘৃণা করে।
· সাম্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠা: কবি সমাজের এই বৈষম্য দূর করে শোষিত মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। মানুষ হিসেবে কুলি-মজুরও সমান মর্যাদার দাবিদার।
· বিদ্রোহের বাণী: দুর্বলরা আর কতকাল এভাবে মার খাবে? কবি বঞ্চিত মানুষের মনে দ্রোহের আগুন জ্বেলে তাদের অধিকার আদায়ের সজাগ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।