একটি আদর্শ উদ্ভিদ কোষ মূলত শক্ত বাইরের কোষপ্রাচীর এবং ভেতরের সজীব প্রোটোপ্লাজম নিয়ে গঠিত। প্রোটোপ্লাজম আবার কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াসে বিভক্ত। এতে বিশেষ অঙ্গাণু যেমন প্লাস্টিড ও বড় [কোষগহ্বর] থাকে যা প্রাণিকোষ থেকে একে আলাদা করে।
প্রধান অংশসমূহ
কোষপ্রাচীর: সেলুলোজ দিয়ে তৈরি শক্ত বাইরের স্তর। এটি কোষকে নির্দিষ্ট আকৃতি ও সুরক্ষা দেয়।
কোষঝিল্লি: সাইটোপ্লাজমকে ঘিরে থাকা নরম ও পাতলা পর্দা। এটি কোষে ভেতর-বাইরে উপাদান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।
সাইটোপ্লাজম: জেলির মতো থকথকে তরল পদার্থ। এর ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গাণু ভেসে থাকে।
নিউক্লিয়াস: কোষের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। এটি বংশগতির বৈশিষ্ট্য ও কোষের সব কাজ চালায়।
গুরুত্বপূর্ণ কোষাণু
প্লাস্টিড: শুধু উদ্ভিদ কোষে থাকে। ক্লোরোপ্লাস্ট সূর্যালোকের সাহায্যে খাদ্য তৈরি বা সালোকসংশ্লেষণ করে।
মাইটোকন্ড্রিয়া: কোষের শক্তি উৎপাদন করে। একে কোষের পাওয়ার হাউস বলে।
কোষগহ্বর: উদ্ভিদ কোষের বড় ফাঁকা স্থান। এটি কোষরস ধরে রাখে এবং চাপ বজায় রাখে।
রাইবোসোম ও এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা: প্রোটিন তৈরি ও পরিবহনে সাহায্য করে।