আমাদের জীবনে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বেশিরভাগ ব্যাকটেরিয়াই উপকারী।
হজম শক্তি বৃদ্ধি: অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া খাবার ভাঙতে ও পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ক্ষতিকর জীবাণুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
ভিটামিন তৈরি: মানবদেহে কিছু প্রয়োজনীয় ভিটামিন (যেমন ভিটামিন কে ও বি-কমপ্লেক্স) উৎপাদনে সাহায্য করে।
পরিবেশ ও প্রকৃতিতে ভূমিকা
পচন ও পুনর্ব্যবহার: মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ পচিয়ে মাটিতে পুষ্টি ও কার্বন ডাই অক্সাইড ফিরিয়ে দেয়, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
নাইট্রোজেন সংবন্ধন: কিছু ব্যাকটেরিয়া (যেমন রাইজোবিয়াম) বাতাস থেকে নাইট্রোজেন টেনে মাটির উর্বরতা বাড়ায়।
শিল্প ও খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহার
দই ও পনির তৈরি: ল্যাকটোব্যাসিলাসজাতীয় ব্যাকটেরিয়া দুধ থেকে দই, চিজ ও পনির তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
ঔষধ ও জবপ্রযুক্তি: বিভিন্ন জীবনরক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক ও ইনসুলিন তৈরিতে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়।
পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা: খনিজ তেল বা বর্জ্য পদার্থ ভেঙে পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।