Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৮:০১ অপরাহ্ণ

স্থায়ী টিস্যু
যে উদ্ভিজ্জ কোষসমষ্টি ভাজক টিস্যু থেকে সৃষ্টি হয়ে বিভাজিত হওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে এবং নির্দিষ্ট আকার ধারণ করে উদ্ভিদের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করে, তাকে স্থায়ী টিস্যু বলে। এরা জীবত বা মৃত হতে পারে। বিস্তারিত জানতে আপনি উইকিপিডিয়া দেখতে পারেন। 
স্থায়ী টিস্যুর বৈশিষ্ট্য
কোষগুলোর বিভাজন ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়।
নির্দিষ্ট আকৃতি ও গঠন লাভ করে।
জীবিত বা মৃত হতে পারে।
কোষে সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস পরিবর্তিত বা অনুপস্থিত থাকতে পারে। 

স্থায়ী টিস্যুর প্রকারভেদ
গঠন ও কাজের ওপর ভিত্তি করে স্থায়ী টিস্যু প্রধানত তিন প্রকার:
সরল স্থায়ী টিস্যু: একই ধরনের কোষ দিয়ে গঠিত।
  1. প্যারেনকাইমা (Parenchyma)
  2. কোলেনকাইমা (Collenchyma)
  3. স্ক্লেরেনকাইমা (Sclerenchyma) 
জটিল স্থায়ী টিস্যু: একাধিক ভিন্ন ধরনের কোষ নিয়ে গঠিত।
  1. জাইলেম (পানি ও খনিজ পরিবহন করে)
  2. ফ্লোয়েম (খাদ্য পরিবহন করে) 
ক্ষরণকারী বা নিঃস্রাবী টিস্যু: বিভিন্ন তরল ও বর্জ্য পদার্থ নিঃসরণ করে।

স্থায়ী টিস্যুর প্রধান কাজ

উদ্ভিদকে নির্দিষ্ট আকৃতি ও দৃঢ়তা দেওয়া।
খাদ্য তৈরি ও সঞ্চয় করা।
পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করা।
উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গকে সুরক্ষা দেওয়া।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট