Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ

গ্লোবাল ভিলেজ

 গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

কানাডিয়ান দার্শনিক ও সমাজবিজ্ঞানী মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) ১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালে তাঁর দুটি বইতে সর্বপ্রথম এই 'গ্লোবাল ভিলেজ' বা 'বিশ্বগ্রাম' শব্দটির অবতারণা করেন।

১. বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ

গ্লোবাল ভিলেজ পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়ার জন্য মূলত ৫টি উপাদান কাজ করে:

  • হার্ডওয়্যার (Hardware): কম্পিউটার, স্মার্টফোন, রাউটার এবং স্যাটেলাইট যা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

  • সফটওয়্যার (Software): ব্রাউজার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (Facebook, WhatsApp) এবং বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম।

  • নেটওয়ার্ক বা কানেক্টিভিটি (Connectivity): ইন্টারনেট কানেকশন, যা গ্লোবাল ভিলেজের মেরুদণ্ড।

  • ডেটা বা ইনফরমেশন (Data/Information): যা মানুষের মাঝে আদান-প্রদান করা হয়।

  • মানুষের সক্ষমতা (Human Capability): তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার ও বোঝার জন্য মানুষের দক্ষতা।

২. গ্লোবাল ভিলেজ সংশ্লিষ্ট প্রধান ক্ষেত্রসমূহ

আইসিটির কারণে আজ মানুষের জীবনের নিচের ক্ষেত্রগুলো বিশ্বগ্রামের রূপ নিয়েছে: [1]

  • যোগাযোগ (Communication): ইমেইল, ভিডিও কলিং এবং মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে মুহূর্তেই যেকোনো দূরত্বে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে।

  • কর্মসংস্থান ও ব্যবসা (Employment & Commerce): ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সিং (Outsourcing) এবং ই-কমার্স (E-commerce) এর মাধ্যমে বিশ্ববাজারে কেনাবেচা করা যাচ্ছে।

  • শিক্ষা (Education): ডিস্টেন্স লার্নিং বা অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গ্রহণ করা যাচ্ছে।

  • চিকিৎসা (Healthcare):

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট