সহকারী শিক্ষক
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:৪১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ তৃতীয়
বিষয়ঃ প্রাথমিক গণিত
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ১২
এই পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা—
যে স্থানের কোনো দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা নেই, তাকে বিন্দু বলে।
বিন্দুকে সাধারণত একটি ছোট ডট (•) দিয়ে প্রকাশ করা হয় এবং ইংরেজি বর্ণ দিয়ে নাম দেওয়া যায়।
উদাহরণ:
• A → এটি A বিন্দু।
কাগজে পেন্সিল দিয়ে একটি ছোট দাগ দিলে সেটিকে বিন্দুর ধারণা বোঝাতে ব্যবহার করা যায়।
যে সরল পথের কোনো শুরু বা শেষ নেই, তাকে রেখা বলে।
রেখা দুই দিকে অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
উদাহরণ:
←────────→
যে সমতল অংশের কোনো উচ্চতা নেই, তাকে তল বলা হয়।
তল একটি সমতল পৃষ্ঠকে বোঝায়।
দুটি রেখা বা রশ্মি যখন একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয়, তখন তাদের মধ্যবর্তী অংশকে কোণ বলে।
যে বিন্দুতে দুটি রেখা মিলিত হয়, তাকে কোণের শীর্ষবিন্দু বলা হয়।
তীক্ষ্ণ কোণ: ৯০°-এর কম
সমকোণ: ৯০°
স্থূল কোণ: ৯০°-এর বেশি কিন্তু ১৮০°-এর কম
সরল কোণ: ১৮০°
যে বন্ধ জ্যামিতিক আকৃতির চারটি বাহু এবং চারটি কোণ থাকে, তাকে চতুর্ভুজ বলে।
🔹 বর্গ — চারটি বাহু সমান এবং চারটি কোণ সমকোণ।
🔹 আয়ত — বিপরীত বাহুগুলো সমান এবং চারটি কোণ সমকোণ।
🔹 রম্বস — চারটি বাহু সমান।
🔹 সামান্তরিক — বিপরীত বাহুগুলো সমান্তরাল।
🔹 সমলম্ব চতুর্ভুজ — এক জোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল।
চতুর্ভুজ = ৪ বাহু + ৪ কোণ
নির্দিষ্ট নিয়মে বিভিন্ন আকৃতি, চিহ্ন বা নকশা বারবার সাজিয়ে তৈরি করা বিন্যাসকে জ্যামিতিক প্যাটার্ন বলা হয়।
🔴 🔺 🔴 🔺 🔴 🔺
এখানে বৃত্ত ও ত্রিভুজ একটি নির্দিষ্ট নিয়মে বারবার এসেছে।
আরেকটি—
🟦 🟩 🟦 🟩 🟦 🟩
এখানে বর্গের দুটি রূপ পর্যায়ক্রমে সাজানো হয়েছে।
আমাদের চারপাশে জ্যামিতির ব্যবহার রয়েছে।
🏠 বাড়ির নকশা → চতুর্ভুজ ও তল
🚦 রাস্তার মোড় → কোণ
⏰ ঘড়ির কাঁটা → কোণ
🌸 ফুলের নকশা → জ্যামিতিক প্যাটার্ন
📖 বই ও খাতা → আয়ত
🪟 জানালা → আয়ত/বর্গ
অর্থাৎ, জ্যামিতি শুধু বইয়ের বিষয় নয়; আমাদের প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গেও এটি জড়িয়ে আছে।
ক. • A
খ. ←────→
গ. ▱
প্রশ্ন: কোনটি বিন্দু, কোনটি রেখা এবং কোনটি তল/সমতল আকৃতি নির্দেশ করে?
বর্গ, ত্রিভুজ, আয়ত, বৃত্ত, রম্বস—এর মধ্যে কোনগুলো চতুর্ভুজ?
🔴 🔺 🔴 🔺 🔴 ___
🟦 🟩 🟦 🟩 ___ ___
একটি বর্গ, একটি আয়ত, একটি কোণ এবং একটি জ্যামিতিক প্যাটার্ন।
শিক্ষার্থীদের খাতা বা কাগজে—
এতে শিক্ষার্থীরা শুধু মুখস্থ না করে আঁকা, দেখা ও বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে জ্যামিতি শিখতে পারবে।
বিন্দু দিয়ে অবস্থান বোঝাই, রেখা দিয়ে পথ বোঝাই, কোণ দিয়ে দিকের পরিবর্তন বুঝি, আর বিভিন্ন আকৃতি দিয়ে আমাদের চারপাশের জগতকে চিনতে শিখি।