Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:১২ অপরাহ্ণ

‘জন্মভূমি’


কবিতার বিষয়: জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ও দেশপ্রেম

✨ সারসংক্ষেপ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জন্মভূমি’ কবিতায় কবি তাঁর নিজের দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মমত্ব প্রকাশ করেছেন। কবির কাছে নিজের দেশে জন্মগ্রহণ করাই অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। তিনি মনে করেন, জন্মভূমিকে ভালোবাসার মধ্যেই তাঁর জীবনের সার্থকতা নিহিত। 


কবি জানেন না তাঁর জন্মভূমি অন্য দেশের মতো অনেক ধন-সম্পদের অধিকারী কি না। কিন্তু তিনি জানেন, জন্মভূমির ছায়ায় এসে তাঁর দেহ ও মন শান্তিতে ভরে যায়। দেশের মাটি, প্রকৃতি ও পরিবেশ তাঁর কাছে অত্যন্ত আপন।

জন্মভূমির প্রকৃতির সৌন্দর্যও কবিকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করে। ফুলের মিষ্টি গন্ধ, আকাশের চাঁদের হাসি এবং চারপাশের আলো কবির মনে আনন্দ ও প্রশান্তি সৃষ্টি করে। এই দেশের আলোতেই তাঁর চোখ প্রথম পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখেছে। 


কবির সবচেয়ে আবেগময় অনুভূতি হলো—যে জন্মভূমির আলোতে তাঁর জীবনের শুরু, সেই জন্মভূমির আলোতেই তিনি জীবনের শেষ মুহূর্ত কাটাতে চান। অর্থাৎ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নিজের মাতৃভূমির সঙ্গে তাঁর গভীর আত্মিক সম্পর্ক বজায় থাকুক—এটাই তাঁর আকাঙ্ক্ষা।


🎯 মূলভাব

জন্মভূমির প্রতি গভীর মমত্ববোধ, ভালোবাসা ও দেশপ্রেমই ‘জন্মভূমি’ কবিতার মূলভাব।


📌 শিক্ষণীয় বিষয়

নিজের জন্মভূমিকে ভালোবাসতে হবে।

দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করতে হবে।

দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে।

মাতৃভূমির মাটি, মানুষ ও প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

এক কথায়: নিজের জন্মভূমি ধন-সম্পদে কতটা সমৃদ্ধ তা বড় কথা নয়; জন্মভূমির মাটি, আলো, প্রকৃতি ও মমতার সঙ্গে মানুষের যে গভীর সম্পর্ক, সেটিই সবচেয়ে মূল্যবান।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট