সহকারী শিক্ষক
১৪ মার্চ, ২০১৪ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
মাহফুজ আরা সুলতানা ,সহকারী শিক্ষক, কারমাইকেল কলেজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, রংপুর
সর্দি ও দীর্ঘদিনের খুসকখুসে কাশিতে কিছু তুলসি পাতা গরম পানিতে জ্বাল দিয়ে নির্যাস বের করে নিয়ে সামান্য আদা ও মধূ দিয়ে খেলে সর্দি -কাশি ও জ্বর ভালো হয়। তুলসির এই নির্যাস খেতে হবে পাচঁ থেকে সাত দিন তিন বেলা করে। শিশু সর্দি কাশিতে চার থেকে দশ ফোঁটা তুলসি পাতার রসের সঙ্গে তিন থেকে পাচঁ ফোটা মধূ মিশিয়ে তিন বেলা খাওয়ালে সর্দি কাশি দুই তিন দিদনের মধ্যে ভালো হয়। ব্রংকাইটিস ও ডাইরিয়াতে ভালো ফল দেয় তুলসি। গরমে কেউ না ঘামলে ঘাম ঝরাতে ভুমিকা রাখে তুলসি। হজম শক্তিও বাড়ায় তুলসি নামের মহা ঔষুধি এই গাছটি। এসব ক্ষেত্রে তুলসির পাতা প্রতিদিন তিন থেকে পাচঁটি খেতে হবে কয়েক সপ্তাহ ধরে। তুলসির কাঁচা পাতার রস বা বিচির থেতলানের পর রস কিছুটা গরম করে চুলকানি সহ বিভিন্ন চর্ম রোগে লাগালে ভালো হয় ।অন্ডকোষ টনটন করলে চার তোলা পরিমার তুলসি পাতার রসের সাথে একই পরিমান মিছরির গুড়ো মিশিয়ে খেলে যন্ত্রণা কমে। ঘনঘন প্রস্রাব হলে আধা ইঞ্চি লম্বা তুলসির শিকড় কেটে পানের সাথে খেলে ক’দিনেই সুফল পাওয়া যায়। শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে কিংবা পোড়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তুলসি পাতার রস দিয়ে লেপে দিলে সাথে সাথে জ্বারা যন্ত্রণা কমে।এছাড়া কয়েকদিন ধরে তুলসি পাতা পানিতে নিয়ে তাপ দিয়ে বাস্প তৈরী করে ভাপ মুখে লাগালে চামড়ার সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে মুখের লাবণ্য বাড়ায় ও আকর্ষণীয় করে তোলে।