সিনিয়র শিক্ষক
২১ আগস্ট, ২০২০ ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা
অধ্যায়ঃ দ্বিতীয় অধ্যায়
যাবতীয় প্রশংসা ওই আল্লাহর জন্য যিনি সূর্য ও চন্দ্রকে (দিন, মাস ও বর্ষ) গণনার মাধ্যমে বানিয়েছেন, তারকা ও গাছপালাকে তার অনুগত বানিয়েছেন, দিন যুগ সৃষ্টি করেছেন এবং মাস ও বছর নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর কিতাবে এবং আল্লাহর গণনায় মাসগুলোর সংখ্যা বারো।’ (তাওবা : ৩৬) আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনি একক তার কোনো শরিক নেই। আমরা আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর বান্দা ও রসুল যিনি মহররম মাসের ফজিলত বর্ণনা করেছেন। হে আল্লাহ। আপনি আপনার বান্দা ও রসুল এবং তার পরিবারবর্গ ও সাহাবাগণের ওপর রহমত, শান্তি ও বরকত নাজিল করুন।
প্রিয় মুসলিমবৃন্দ, আপনারা জেনে রাখুন, এ মাসটি আল্লাহর সম্মানিত একটি মাস। এ মাস সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমজানের রোজার পর মহররম মাসের রোজার ফজিলতই সবচেয়ে বেশি। (মুসলিম)। তিনি আরও বলেছেন, ‘তোমরা আশুরার রোজা রাখ এবং এ বিষয়ে ইহুদিদের চেয়ে ভিন্ন নিয়ম পালন কর। তোমরা মহররমের দশম তারিখের রোজার সঙ্গে এর আগে বা পরে একদিন রোজা রাখ।’ (আহমাদ)। (কারণ ইহুদিরা শুধু দশম দিনেই রোজা রাখে)। আর একটি হাদিসে আছে, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, আশুরার রোজার ফলে আগের এক বছরের গোনাহর কাফ্ফারা হয়ে যাবে।’ (মুসলিম)