প্রধান শিক্ষক
৩০ নভেম্বর, ২০২০ ০৭:০৭ অপরাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ পঞ্চম
বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
অধ্যায়ঃ তৃতীয় অধ্যায়
মহাস্থানগড় শব্দের ‘মহা’ মানে অতীব গুরুত্বপূর্ণ, আর ‘গড়’ অর্থ উচ্চ স্থান। ইতিহাস, ঐতিহ্য, ধর্মীয় ও প্রত্নতাত্ত্বিক কারণে এই স্থানের গুরুত্ব অনেক উঁচুতে। এছাড়াও এই স্থানটির ভূমি বেশ উঁচু; ফলে এটি মানুষের কাছে মহাস্থানগড় নামেই পরিচিত হয়ে ওঠে।
বর্তমান বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় বগুড়া শহর থেকে উত্তর দিকে ১৩ কিলোমিটার দূরে করতোয়া নদীর তীরে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে গোড়াপত্তন হয়েছিল আজকের এই মহাস্থানগড়ের। পুণ্ড্রনগর মৌর্য ও গুপ্ত রাজবংশের রাজাদের হাত ধরে গড়ে উঠেছিল। ১৯২৮-২৯ সালে এখানে প্রথম খননকার্য শুরু করা হয়। তাতে মহাস্থানগড় আবার জনসম্মুখে চলে আসে। মহাস্থানগড়ের ধ্বংসাবশেষের আয়তন প্রায় ৭৮ বর্গ কিলোমিটার। এতে রয়েছে প্রাচীনকালের তৈরি একটি ভাঙ্গা দুর্গ, খোদার পাথর ভিটা, বৈরাগীর ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, লক্ষিন্দরের বাসর ঘর হিসেবে পরিচিত গোকুল মেধ, মঙ্গলকোট, তোতারাম পন্ডিতের ধাপ, মানকালির ঢিবি, ভাসু বিহার, ভিমের জঙ্গল, শীলাদেবীর ঘাট, কালিদহ সাগর, পরশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি সব পুরাকীর্তি।