Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:১৩ অপরাহ্ণ

কবি কাজী নজ্অরুল ইসলাম সেনাবাহিনিতে একজন সাহসি সৈনিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় করাতে সক্ষম

১৯১৭ সাল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর নবগঠিত ৪৯নং বেঙ্গলি রেজিমেন্টে যোগ দেন কাজী নজরুল ইসলাম। তখন তিনি বর্তমান পশ্চিবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার রানীগঞ্জের শিয়ারশোল রাজ হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। তার ক্রমিক নং ছিল এক। সামনে মেট্রিকুলেশান পরীক্ষা। মাস্টারমশাইদের ধারণা ছিল পরীক্ষা দিয়ে নজরুল জলপানি পাবে। কিন্তু আত্মীয়স্বজন, শিক্ষকবৃন্দ আর সহপাঠীদের বিস্মিত আর হতাশ করে নজরুল প্রবল দেশপ্রেমের টানে যুদ্ধবিদ্যা শিখতে চলে গেলেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে। বর্তমান পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পেশোয়ার জেলার নৌশহরা মহকুমায় তিনি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯২০ সালের মার্চ মাসে ৪৯নং বেঙ্গলি রেজিমেন্ট ভেঙ্গে দেয়া পর্যন্ত পুরো সৈনিক কালটা তিনি বর্তমান পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ও বেলুচিস্তানে অবস্থান করেন।

নজরুল কত যে কষ্ট করেছেন ঘর ছেড়ে বের হবার পর তার ঠিক নেই। কাজী বাড়ির ঠুনকো আভিজাত্য ভেঙে রুটির দোকানে কাজ করেছেন। কিন্তু এসবের মধ্যেও ছেলেবেলার লেখা-পড়ায় দারুণ আগ্রহ ছিল তাঁর। সেই আগ্রহেই ময়মনসিংহের মতো অতো দূরের এখনকার বাংলাদেশের গণ্ডগ্রামে গিয়ে থেকেছেন। সেখানে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনাও করেছেন।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট