সহকারী শিক্ষক
২১ মার্চ, ২০২১ ১১:০০ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দ্বিতীয়
বিষয়ঃ English for Today
অধ্যায়ঃ তৃতীয় অধ্যায়
ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। তিনি শুধু এই উপমহাদেশেরই নন বরং গোটা বিশ্বের অগ্রগণ্য রাজনীতিবিদের একজন। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই একমত, ইন্দিরা গান্ধী বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী ১৯১৭ সালের ১৯ নভেম্বর ভারতের বিখ্যাত নেহরু পরিবারে জম্মগ্রহণ করেন। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা-সংগ্রামের অন্যতম পথিক কংগ্রেস নেতা মতিলাল নেহরুর নাতনি, বাবা বিখ্যাত পন্ডিত জওহরলাল নেহরু আর মা কমলা দেবীর মেয়ে ইন্দিরা। বলা হয়, তাঁর রক্তেও ছিল রাজনীতি। পারিবারিকভাবেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। আনুষ্ঠানিক ডিগ্রি না থাকলেও ইন্দিরা ছিলেন উচ্চশিক্ষিত, পড়ালেখা করেন শৈশবে সুইজারল্যান্ডে ও পরে অক্সফোর্ডে। ১৯৩৪-৩৫ সালে যোগ দেন শান্তিনিকেতনে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর নামকরণ করেন ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী। সেই থেকে প্রিয়দর্শিনী গান্ধী নামেই পরিচিত হন ইন্দিরা। ভারতের রাজনীতিতে ১৯৪২ সালের পরপরই সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ফিরোজ গান্ধীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। তাঁকে কারাবন্দীও করা হয়েছিল। তবে তাঁকে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। গণজোয়ারে তিনি বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে রাজনীতিতে রাজপথ মাতিয়ে তোলেন। ১৯৬৪ সালে তিনি লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মন্ত্রিসভায় তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তবে রাজনৈতিক জীবনে বড় রকমের ঢেউ আসে ১৯৬৬ সালে। সেই বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন ইন্দিরা গান্ধী। তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে আসা রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করেছেন দক্ষ হাতে। মোট ১৫ বছর ধরে সফলভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তাঁর দুই পুত্র সঞ্জয় এবং রাজীব। ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে সত্যিকারের বন্ধুত্বের পরিচয় দেন।