Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৩ মে, ২০২১ ০১:৪৪ অপরাহ্ণ

মুসলমানদের নিকট আল আকসা মসজিদের গুরুত্ব

যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই প্রায় দখল করে নিয়েছে, সেখানে মাত্র ১৪ একর জায়গার জন্য কেনো এতো অত্যাচার নির্যাতনের পরেও  ফিলিস্তিনের মুসলমানরা বারবার ফিরে যাচ্ছে! মার খাচ্ছে! কেনো এত আবেগ আমাদের আকসা নিয়ে! তাহলে শুনুন...

.কাবা প্রথম ইবাদাত গৃহ হলেও মাসজিদুল আকসা সমগ্র মুসলিম জাতির প্রথম কিবলা, সকল পয়গম্বর সেদিকে ফিরে আল্লাহর ইবাদাত করেছেন, এমনকি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামও!

.এখানেই সকল নবী রাসুলদের  নিয়ে নামাজের একমাত্র জামাত হয়েছিল। সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

এখান থেকেই হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বোরাকে করে মিরাজ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন। এটিই সেই পবিত্র ঊর্ধ্বগামী সফরের দুনিয়ার ষ্টেশন! 

এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হজরত আদম আঃ এবং সুলাইমান আঃ এর নাম। 

এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে মহান বীর সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর রাহিমাহুল্লাহর অসংখ্য স্মৃতি। 

.এই মসজিদের বিনির্মানে জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে সাগরের তলদেশ থেকে। যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব!( সুলাইমান আ. এর নির্দেশে) 

.এই মসজিদে ২ রাকাআ'ত নামাজ আদায় করার সাওয়াব কাবাতে সালাত আদায়ের পর সবচেয়ে মর্যাদার

.পবিত্র কোরআনে স্বয়ং  মহান আল্লাহ এই পবিত্র মসজিদের নাম নিয়ে আলোচনা করছেন। 

মনে রাখবেন...রাসূল সা. বলেছেন-

"তোমাদের কেউ যদি কোনো খারাপ কাজ বা বিষয় দেখে তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি তা করতে অপারগ হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে, যদি তাও করতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, আর এটাই হচ্ছে ঈমানের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলতম স্তর।"

 (বুখারি, হাদিস নং: ১৯৪)

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট