সহকারী শিক্ষক
১৯ জুন, ২০২১ ০২:১৯ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ চতুর্থ
বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
অধ্যায়ঃ সপ্তম অধ্যায়
বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা কতকগুলো পর্যায়ে বিভক্ত থাকে। বিয়ের আনুষ্ঠানিক পূর্বে ছেলেপক্ষের নিকটআত্নীয়রা কনের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এবং একে বলা হয় ‘হায়জাবা কাবা’। এ পর্বে শুধু দেনমোহর সংক্রান্ত আলাপ আলোচনা অতঃপর চুড়ান্ত বাগদান পর্বের জন্য অনুষ্ঠিত হয় ‘কাপুবা’ বা পানচিনির ব্যাবস্থা। এ পর্বে ফল মূল, মিষ্টি, পান-সুপারি, খই ইত্যাদি নিয়ে বর পক্ষের মহিলাগণ পুরুষদের পাশাপাশি লুথং বা মাথায় ঝুড়ি নিয়ে কনের বাড়িতে যান এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহের দিনক্ষণ স্থির করে থাকেন।
বিশাল পরিমাণের যৌতুক, জানা যায়, এই একটি কারণে মনিপুরি মুসলমানদের অনেক পুরুষ এবং মহিলা বর্তমানে বিয়ে করতেই পারছেন না। আর সেটি হচ্ছে- উচ্চ পর্যায়ের মোহরানা। মোহরানাই হলো বিয়ের সময় স্ত্রীকে দেওয়া এক প্রকার উপহার বলা যায়। বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে এটি নিয়ে চলে ব্যাপক দরকষাকষি। এটি বর্তমানে দুই লাখ হতে পাঁচ লাখ পর্যন্ত ধার্য করা হয়।
মণিপুরি মুসলমানদের বিয়েগুলো দুই রাতব্যাপী হয়। প্রথম দিন কনের বাড়িতে এটাকে বলা হল ‘পূরজাক’ পরের দিন বর কনেকে বরের বাড়িতে নিয়ে এসে আরেকটা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়৷
ঐ অনুষ্ঠানে কনের পরনে থাকে ‘কমিন’ (বিশেষ ধরনের পোষাক), খেমদি ব্লাউজ ও মাথায় থাকে ব্যতিক্রমী কাজ ও ফুল দিয়ে ঝালর দেয়া ‘লৈত্রেং’ (গোলাকার)। অন্যদিকে বর থাকে স্বাভাবিক সাজে।