Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

১৭ জুন, ২০২৬ ১২:১২ অপরাহ্ণ

বেনজিনের ওজোনালাইসিস
বেনজিনের ওজোনোলাইসিস বিক্রিয়ায় প্রধান উৎপাদ হিসেবে ৩ মোল গ্লাইঅক্সাল (Glyoxal) বা ইথেন-১,২-ডাইঅ্যাল উৎপন্ন হয়। এই বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে বেনজিন বলয়ে তিনটি কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন (C=C) বিদ্যমান। 
বিক্রিয়াটি দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়:
১. বেনজিন ট্রাইওজোনাইড গঠন (প্রথম ধাপ)
নিষ্ক্রিয় দ্রাবক (যেমন- CCl₄) এর উপস্থিতিতে বেনজিন (C₆H₆) ওজোন (O₃) গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে একটি অত্যন্ত বিস্ফোরক মধ্যবর্তী যৌগ বেনজিন ট্রাইওজোনাইড (C₆H₆O₉) তৈরি করে। এই ধাপে বেনজিনের ৩টি পাই (π) বন্ধন ভেঙে ৩টি ওজোন অণু যুক্ত হয়। [1, 2]
২. আর্দ্রবিশ্লেষণ বা ভাঙন (দ্বিতীয় ধাপ)
উৎপন্ন বেনজিন ট্রাইওজোনাইডকে দস্তা বা জিঙ্ক গুঁড়ো (Zn) এবং পানির (H₂O) উপস্থিতিতে উত্তপ্ত করলে তা ভেঙে ৩ মোল গ্লাইঅক্সাল (CHO-CHO) এবং ৩ মোল হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂) উৎপন্ন করে। [1]
এখানে জিঙ্ক গুঁড়ো (Zn) উৎপন্ন H₂O₂-এর সাথে বিক্রিয়া করে জিঙ্ক অক্সাইড (ZnO) গঠন করে, যা গ্লাইঅক্সালকে ফারদার জারণ (Oxidation) হয়ে কার্বক্সিলিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়।
মন্তব্য করুন