১. আদিকোষ (Prokaryotic Cell): এদের সুগঠিত কোনো নিউক্লিয়াস বা নিউক্লিয়ার ঝিল্লি থাকে না। সাধারণত রাইবোজোম ছাড়া অন্য কোনো ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু থাকে না। উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ শৈবাল।
২. প্রকৃতকোষ (Eukaryotic Cell): এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে এবং নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দ্বারা নিউক্লিয়াসটি আবৃত থাকে। সব ধরনের ঝিল্লিযুক্ত ও ঝিল্লিহীন কোষ-অঙ্গাণু সুবিন্যস্ত থাকে। উদাহরণ: উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ।
জীবদেহের কাজের ও গঠনের ভিত্তিতেও কোষকে প্রধান দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
দেহকোষ (Somatic Cell): জীবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও গঠন তৈরিতে সাহায্য করে।
জননকোষ (Germ Cell): প্রজনন বা বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে (যেমন: শুক্রাণু ও ডিম্বাণু)।