Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ণ

সম্রাট বাবর
কবি কালিদাস রায়ের ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ একটি বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী কবিতা, যা মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবুরের মহানুভবতা, বীরত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধের এক অনন্য ইতিহাস তুলে ধরে। এটি বাংলাদেশের অষ্টম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যবইয়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা। [1, 2, 3]
নিচে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার মূল কথা এবং এর সংশ্লিষ্ট কিছু ছবি সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
কবিতার মূল ভাব ও কাহিনীর কিছু কথা
  • ছদ্মবেশে প্রজা দর্শন: দিল্লির সিংহাসন জয়ের পর বাবুর রাজপ্রাসাদে আরাম আয়েশে ডুবে থাকেননি। তিনি ছদ্মবেশে দিল্লির সাধারণ রাস্তায় ঘুরে ঘুরে প্রজাদের আসল সুখ-দুঃখ বোঝার চেষ্টা করতেন। [1, 2]
  • রণবীর চৌহানের প্রতিশোধ: পানিপথের যুদ্ধে রাজপুতরা পরাজিত হওয়ায় তরুণ রাজপুত বীর রণবীর চৌহান বাবুরের ওপর চরম প্রতিশোধপ্রায়ণ হয়ে ওঠেন। তিনি বাবুরকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে কুর্তার নিচে তলোয়ার লুকিয়ে দিল্লির রাজপথে ঘুরছিলেন। [1, 2, 3, 4]
  • হাতির আক্রমণ ও বাবুরের বীরত্ব: এমন সময় দিল্লির রাস্তায় একটি মত্ত হাতি এক শিশুকে পিষে মারতে তেড়ে আসে। সবাই যখন ভয়ে পালিয়ে যায়, তখন ছদ্মবেশী বাবুর নিজের জীবন বিপন্ন করে হাতির মুখ থেকে সেই মেথর শিশুকে উদ্ধার করেন।
  • শত্রুর হৃদয় জয়: বাবুরের এই অসামান্য মানবিকতা ও বীরত্ব দেখে গুপ্তঘাতক রণবীর চৌহান স্তম্ভিত হয়ে যান। তিনি বাবুরের পায়ে পড়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। বাবুর তাকে শাস্তি না দিয়ে বুকে জড়িয়ে নেন এবং নিজের দেহরক্ষী হিসেবে নিযুক্ত করেন। []
  • মূল শিক্ষা: কবিতাটির মূল বাণী হলো—কেবল তরবারি বা রাজ্য জয় করলেই প্রকৃত রাজা হওয়া যায় না; প্রজাদের হৃদয় জয় করাই একজন শাসকের শ্রেষ্ঠ মহত্ত্ব। [1, 2]
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট