প্রভাষক
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ একাদশ
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ১
ন্যানো টেকনোলজি
১ম অধ্যায়
শ্রেণি: একাদশ-দ্বাদশ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
এই পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা…
ন্যানো টেকনোলজি হলো পারমানবিক বা আণবিক স্কেলে অনেক ক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুনভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
1nm = 10^-9 m ন্যানো শব্দটির আভিধানিক অর্থ অতি ক্ষুদ্র।
ন্যানো টেকনোলজি ২ প্রকার:
১। বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top-down): "Top-down” পদ্ধতিতে, বড় আকৃতির বস্তু থেকে ন্যানো-অবজেক্ট তৈরি হয়। অর্থাৎ বড় আকৃতির কোন জিনিসকে কেটে তাকে নির্দিষ্ট ক্ষুদ্রাকৃতি দেয়া হয়।
২। ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom-up): “Bottom-up” পদ্ধতিতে, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র আণবিক উপাদান থেকে বিভিন্ন উপকরণ এবং ডিভাইসগুলো তৈরি করা হয়। অর্থাৎ ক্ষুদ্র আকারের জিনিস দিয়ে বড় আকারের জিনিস তৈরি করা হয়।
ন্যানো টেকনোলজির ব্যবহারঃ
১। কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরিতে
২। ন্যানো রোবট তৈরিতে
৩। ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি তৈরিতে
৪। খাদ্য শিল্পে
৫। চিকিৎসা ক্ষেত্রে
৬। জ্বালানি ক্ষেত্রে
৭। খেলাধুলার সামগ্রী তৈরিতে
৮। বস্ত্র শিল্পে
৯। প্রসাধনী শিল্পে
১০। মহাকাশ অভিযানে
ন্যানো টেকনোলজির সুবিধাঃ
১। ইলেকট্রনিক যন্ত্র অধিক মজবুত ও টেকসই, আকারে তুলনামূলক ছোট এবং ওজনে হালকা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
২। ন্যানো টেকনোলজির প্রয়োগে উৎপাদিত ঔষধ "স্মার্ট ড্রাগ” ব্যবহার করে দ্রুত আরগ্য লাভ করা যায়।
৩। ন্যানো টেকনোলজির প্রয়োগের ফলে খাদ্যজাত পণ্যের গুণাগুণ রক্ষা ও স্বাদ বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে।
৪। ন্যানো প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি ব্যাটারি, ফুয়েল সেল, সোলার সেল ইত্যাদির মাধ্যমে সৌরশক্তিকে অধিকতর কাজে লাগানো যায়।
৫। ন্যানো রোবট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে কার্যকরীভাবে ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে।
৬। পানি ও বায়ু দূষণ রোধ সম্ভব হচ্ছে।
ন্যানো টেকনোলজির অসুবিধাঃ
১। ন্যানো টেকনোলজি ব্যয়বহুল। ফলে এই প্রযুক্তির প্রয়োগে উৎপাদিত পন্য ব্যয়বহুল।
২। ন্যানো-রোবটের কারণে মানুষ চাকরি হারাতে পারে।
৩। ন্যানো-পার্টিকেল মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
৪। ন্যানো-পার্টিকেল দিয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্র তৈরি হচ্ছে যার ব্যবহার প্রশ্নবিদ্ধ।