Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:০৬ অপরাহ্ণ

Cyber Security

​সেমিনারের সময়সূচি ও সূচি (Agenda)

​১. স্বাগতম ও প্রারম্ভিক আলোচনা (১৫ মিনিট)

  • উদ্বোধনী বক্তব্য: আজকের আধুনিক কর্মক্ষেত্রে সাইবার সিকিউরিটির গুরুত্ব।
  • বাস্তব পরিস্থিতি: সাম্প্রতিক কিছু বড় ধরনের ডেটা ব্রিচ ও আর্থিক ক্ষতির উদাহরণ।

​২. সাইবার হুমকির ধরন চিহ্নিতকরণ (৪৫ মিনিট)

  • ফিিশিং (Phishing) ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং:
    • ​ভূয়া ইমেইল, মেসেজ ও লিংক চেনার উপায়।
    • ​কীভাবে ভুয়া মেইল সনাক্ত করবেন (হেডার চেক, ডোমেইন ভেরিফিকেশন)।
  • মালওয়্যার ও র‍্যানসামওয়্যার (Malware & Ransomware):
    • ​ফাইল ডাউনলোড ও আনট্রাস্টেড সোর্স ব্যবহারে ঝুঁকি।
    • ​র‍্যানসামওয়্যার আক্রমণ কীভাবে পুরো নেটওয়ার্ক অচল করে দেয়।
  • পাসওয়ার্ড নিরাপত্তা ও অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা:
    • ​দুর্বল পাসওয়ার্ড বনাম স্ট্রং পাসওয়ার্ড (Passphrase)।
    • ​মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (MFA / 2FA) ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা।

​৩. বিরতি ও নেটওয়ার্কিং (১৫ মিনিট)

​৪. সাইবার সিকিউরিটি বাস্তবায়নের ব্যবহারিক নির্দেশিকা (৪৫ মিনিট)

  • ডিভাইস ও ডেটা সুরক্ষা (Endpoint Security):
    • ​পিসি/ল্যাপটপ আনঅ্যাটেন্ডেড না রাখা (Lock Screen Rules)।
    • ​অফিশিয়াল ডেটা ট্রান্সফারে পার্সোনাল ইউএসবি (USB) ড্রাইভ ব্যবহারের ঝুঁকি।
  • পাবলিক ওয়াই-ফাই ও রিমোট ওয়ার্ক সিকিউরিটি:
    • ​পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় VPN ব্যবহার।
    • ​বাসা বা বাইরে থেকে কাজের সময় সিকিউর কানেকশন বজায় রাখা।
  • সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট:
    • ​কর্মক্ষেত্রের গোপনীয় তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ না করা।

​৫. ঘটনা পরবর্তী পদক্ষেপ ও রিপোর্টিং (৩০ মিনিট)

  • হুমকি বা সিকিউরিটি ব্রিচ শনাক্ত হলে করণীয়:
    • ​তাৎক্ষণিকভাবে কাকে এবং কীভাবে অবহিত করবেন (IT/Security Team)।
    • ​শাটডাউন বা নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করার সঠিক সময়।
  • প্রতিষ্ঠানিক পলিসি ও কমপ্লায়েন্স:
    • ​প্রতিষ্ঠানের সাইবার সিকিউরিটি গাইডলাইন অনুসরণের গুরুত্ব।

​৬. প্রশ্নোত্তর ও মূল্যায়ন (৩০ মিনিট)

  • লাইভ ডেমো / কুইজ: অংশগ্রহণকারীদের জন্য সংক্ষিপ্ত ৫ মিনিটের সিকিউরিটি কুইজ।
  • প্রশ্নোত্তর পর্ব: মুক্ত আলোচনা।
  • সমাপনী ও সার্টিফিকেট/ধন্যবাদ জ্ঞাপন।

​বাস্তবায়নের জন্য প্রাক-প্রস্তুতি (Checklist)

  1. প্রেজেন্টেশন স্লাইড তৈরি: দৃশ্যমান ছবি, ইনফোগ্রাফিক এবং সাম্প্রতিক কেস স্টাডি যুক্ত করা।
  2. লাইভ ডেমো: একটি ডামি ফিশিং ইমেইল দেখিয়ে কীভাবে চিনতে হয় তা সরাসরি প্রদর্শন।
  3. কুইজ/হ্যান্ডআউট: সংক্ষিপ্ত চেককাগজ বা গাইডবুক প্রদান যা তারা ডেস্কে রেখে প্রতিদিন অনুসরণ করতে পারে।
  4. ফিডব্যাক ফর্ম: সেমিনারের কার্যকরিতা পরিমাপের জন্য ফিডব্যাক সংগ্রহ।
মন্তব্য করুন